Channel Atv

সময়ের সাথে এগিয়ে চলে সাহসের সাথে কথা বলে

আসুন নিজেকে বদলায়। প্রতিদিন একটি ভালো কাজ করি। সুন্দর জীবন ও সমাজ গড়ি। নতুন সকাল

Breaking

Showing posts with label খেলাধুলা. Show all posts
Showing posts with label খেলাধুলা. Show all posts

Monday, January 21, 2019

1/21/2019 08:55:00 PM

খুলনায় মেয়র কাপ কিশোরী ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনায় আজ সোমবার থেকে শুরু হলো মেয়র কাপ কিশোরী ফুটবল টুর্নামেন্ট। খুলনা জিলা স্কুল মাঠে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। ইউনিসেফের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং খুলনা জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় খুলনা সিটি কর্পোরেশন প্রথমবারের মতো এই টুর্নামেন্টের আয়োজনে করে । 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, এই টুর্নামেন্ট আয়োজন ছিলো আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হলেও ভবিষ্যৎ এ আরো বড় পরিসরে এই আয়োজন করা হবে। ফুটবলের পাশাপাশি কিশোরী ক্রিকেট টুর্নামেন্টরও অয়োজন করা হবে। এই ধরনের টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে মেয়েরা পড়াশুনার পাশাপাশি ক্রীড়া ক্ষেত্রেও ছেলেদের মতো এগিয়ে যাবে। 
ক্রীড়া জগতে খুলনার পুরাতন ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার আহবান জানিয়ে সিটি মেয়র বলেন, একসময় খুলনায় স্টেডিয়ামের অভাব ছিলো, এখন সেটির দুর হয়েছে। ৩০ কোটি টাকার ব্যয়ে খুলনাতে মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছে বর্তমান সরকার। এগুলোর যথাযথ ব্যবহার করে কিশোর কিশোরীদের ক্রীড়ামুখী করতে হবে যাতে করে তারা মাদকের মতো নেশার কবলে না পড়ে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, ইউনিসেফ খুলনার চিফ অব ফিল্ড অফিস মোঃ কফিল উদ্দিন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-২ মোঃ আলি আকবার (টিপু), প্যানেল মেয়র-৩ এ্যাডভোকেট মেমোরী সুফিয়া রহামন সুনু, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কাজী শামীম আহসান, কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ কান্তি বালা এবং খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ্যাডভোকেট মোঃ সাইফুল ইসলাম।
এই টুর্নামেন্টে ১০টি দল অংশগ্রহণ করবে। প্রতিদিন দুইটি করে দলের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী দিনে চামেলী বনাম হাসনা হেনা দলের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ জানুয়ারি বিকেল তিনটায়।

Sunday, November 4, 2018

11/04/2018 03:13:00 PM

পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

ক্রীড়া রিপোর্ট  : সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল চ্যাম্বিপয়নশিপের ফাইনালে পাকিস্তানকে টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতে নিয়েছে বাংলাদেশের কিশোররা। শনিবার নেপালের এএনএফএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত ফাইনালের নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে অমীমাংসিত ছিল।

অনূর্ধ্ব-১৫ সালে বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় শিরোপা। এর আগে ২০১৫ সালে ঘরের মাঠে ভারতকে টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। সেবার অবশ্য সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ নামে হয়েছিল এই টুর্নামেন্টটি। এরপর ২০১৭ সালে দ্বিতীয় আসরে নেপালের কাছে সেমিফাইনালে হেরে বিদায় নিয়েছিল। এক বছর পর আবারো শিরোপা ঘরে তুললো বাংলাদেশের কিশোররা।

সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও আজ বাংলাদেশ দলের হিরো হয়েছেন গোলরক্ষক মেহেদী হাসান। আজও তিনি দারুণ দক্ষতায় তিন-তিনটি শট ফিরিয়ে দিয়েছেন। ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই মূল গোলরক্ষক মিতুলকে উঠিয়ে মেহেদীকে মাঠে নামান কোচ।

শনিবার নেপালের এএনএফএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বাংলাদেশ ম্যাচের ২৫ মিনিটে এগিয়ে যায়। কিন্তু ৫৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ম্যাচে সমতা ফেরায় পাকিস্তান। সেই সমতা নিয়েই শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের খেলা। এরপর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

শনিবার নেপালের এএনএফএ কমপ্লেক্সে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম শট নেন রাজন হাওলাদার। কিন্তু তার নেওয়া শট উপর দিয়ে উড়ে যায়। এরপর পাকিস্তানের জুনায়েদ আহমেদ শাহ’র নেওয়া শট ফিরিয়ে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান।

এরপর বাংলাদেশের ১১ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় গোল করে এগিয়ে নেন (১-০)। পাকিস্তানের আদনান জাস্টিনের নেওয়া শট ডানদিকে ঝাপিয়ে পড়ে রুখে দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখেন গোলরক্ষক মেহেদী। বাংলাদেশের ৬ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় এসে গোল করে ব্যবধান করেন (২-০)।

পাকিস্তানের হয়ে তৃতীয় শটটি নিতে আসেন মহিবউল্লাহ। তিনি গোল করলে ব্যবধান হয় ২-১। অবশ্য মেহেদী ডানদিকে ঝাপিয়ে পড়েও রুখতে পারেননি।  বাংলাদেশের পক্ষে চতুর্থ শট নিতে আসেন রুস্তম ইসলাম দুখুমিয়া। তিনি শট নেওয়ার সময় পাকিস্তানের গোলরক্ষক বামদিকে ঝাপিয়ে পড়ে। সেটা দেখে আলতো করে ডানদিক দিয়ে বল জালে পাঠান (৩-১)।

পাকিস্তানের চতুর্থ শট থেকে গোল করেন ওয়াসিফ। তাতে ব্যবধান হয় ৩-২।বাংলাদেশের পঞ্চম শটটি রবিউল আলম। কিন্তু তিনি সরাসরি গোলরক্ষের দিকে মারলে সেটা ধরে ফেলেন পাকিস্তানের গোলরক্ষক। এরপর পাকিস্তানের মোদাসসের নজরের নেওয়া পঞ্চম শটটি ঠেকিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের শিরোপা জয় নিশ্চিত করেন গোলরক্ষক মেহেদী হাসান।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছে বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের নিহাত জামান উচ্ছ্বাস। মালদ্বীপের বিপক্ষের ম্যাচে একাই ৪ গোল করেছিলেন উচ্ছ্বাস।

সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের এবারের আসরে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ মালদ্বীপকে হারিয়েছিল ৯-০ ব্যবধানে। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে  গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল।  সেমিফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছায় লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। আর ফাইনালে আজ শনিবার পাকিস্তানকে টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা নিয়েই দেশে ফিরছে কিশোররা।

Thursday, November 1, 2018

11/01/2018 03:37:00 PM

২০২২ সালেই ৪৮ দলের বিশ্বকাপ?


ক্রীড়া ডেস্ক : ২০২৬ সাল থেকে ৩২ দলের বদলে বিশ্বকাপ হবে ৪৮ দলের, এটা ফিফা জানিয়েছিল অনেকদিন আগেই। তবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলছেন, ২০২২ সালে কাতারেই দেখা যেতে পারে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ!

কুয়ালালামপুরে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সভা শেষে বুধবার ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা। আর তা হবে ২০২৬ সাল থেকে। ২০২২ সালেও এমন হবে কি না? আমরা বিষয়টি দেখছি। যদি তা সম্ভব হয়, কেন নয়?’

আট বছর আগে ২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ৩২ দলকে ঘিরেই প্রস্তুতি নিচ্ছে কাতার। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাই কাতারের সঙ্গে সবকিছু নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানালেন ফিফা সভাপতি।

‘আমাদের আগে দেখতে হবে এটা সম্ভব কি না। আমরা বিষয়টা নিয়ে আমাদের কাতারি বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করছি। এই অঞ্চলে আমাদের অন্যান্য বন্ধুদের সঙ্গেও বিষয়টা আলোচনা করছি। আশা করছি, এটা হতে পারে। আমাদের সব সময় চেষ্টা করতে হবে’- বলেন ইনফান্তিনো।

সম্প্রতি সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশরের সঙ্গে সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না কাতারের। বিশ্বকাপে দলসংখ্যা বাড়লে আরব দেশগুলো কাতারকে সহায়তা করবে কি না, তা বড় প্রশ্নই।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ হবে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে। ৪৮ দল ১৬টি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে বিশ্বকাপ। তেমনটা চার বছর আগেই দেখা যায় কি না, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা। 

11/01/2018 03:28:00 PM

ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সেমিফাইনালে ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। নেপালের আনফা কমপ্লেক্সে বৃহস্পতিবার প্রথম সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে ভারতকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে ড্র ছিল ম্যাচ।

বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় শুরু ম্যাচের ১৭ মিনিটে পাত্রে হার্শ শৈলাসের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। সেই গোলে জয়ের পথেই ছিল তারা। দ্বিতীয়ার্ধে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে (৯৩ মিনিট) পেনাল্টি থেকে গোল করে বাংলাদেশকে সমতায় ফেরান আশিকুর রহমান। পরে টাইব্রেকারে দুটি স্পট-কিক ঠেকিয়ে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক গোলরক্ষক মেহেদী হাসান।

দ্বিতীয় সেমিফাইনালে পাকিস্তান ও নেপালের মধ্যে জয়ী দলের বিপক্ষে শনিবার ফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ দল।

এর আগে গ্রুপপর্বে মালদ্বীপকে ৯-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে নাম লেখায় সেমিফাইনালে। শিরোপা থেকে এখন আর এক ম্যাচ দূরে লাল-সবুজের জার্সিধারীরা।

Saturday, October 27, 2018

10/27/2018 10:13:00 PM

সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ পুরুষ ফুটবল : মালদ্বীপের জালে বাংলাদেশের ৯ গোল

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ পুরুষ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। নেপালের এএনএফএ কমপ্লেক্সে মালদ্বীপকে হারিয়েছে ৯-০ গোলের ব্যবধানে। মালদ্বীপ তাদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক নেপালের কাছে ৪-০ গোলে হেরেছিল। দুই ম্যাচের দুটিতেই হেরে তাদের বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। আর সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশ ও নেপালের।

মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ৪-০ গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরো ৫টি গোল করে তারা। বাংলাদেশের হয়ে হ্যাটট্রিকসহ চার গোল করেছেন নিশাত জামান। জোড়া গোল করেছেন রাসেল আহমেদ ও ১৫ নম্বর জার্সিধারী আশিকুর রহমান। একটি গোল করেছেন মোহাম্মদ মেহেদী হাসান।

শনিবার ম্যাচের ১১ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। এ সময় সতীর্থের হেডে পাওয়া বল আলতো টোকায় জালে পাঠান নিশাত জামান উচ্ছ্বাস। ১৯ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করে বাংলাদেশ। এবারও গোলদাতা নিশাত। এ সময় মালদ্বীপের চার খেলোয়াড়কে কাটিয়ে গোলরক্ষকের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠান নিশাত। এই গোলের চার মিনিটের মাথায় হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ১০ নম্বর জার্সিধারী এই ফরোয়ার্ড। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান ৪০ গজ দূর থেকে শট নিয়ে বল জালে জড়ান। তাতে ৪-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশের কিশোররা।

বিরতির পর পরই উচ্ছ্বাস তার চতুর্থ গোলটি করেন। ম্যাচের ৪৬ মিনিটে বাঁকানো শটে মালদ্বীপের গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে নিজের চতুর্থ গোলটি করেন। ৪৭ মিনিটে রাসেল আহমেদ গোলের দেখা পেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ৬-০ ব্যবধানে। ৬৬ মিনিটে জোড়া গোল পূর্ণ করেন রাসেল। সতীর্থের থ্রো থেকে বল পেয়ে গোল করেন তিনি। ৮০ মিনিটের মাথায় আশিকুর রহমান গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন ৮-০ ব্যবধানে। আর ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯০+৪) আশিকুর নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করে বাংলাদেশকে এনে দেন ৯-০ ব্যবধানের বড় জয়।


Friday, October 26, 2018

10/26/2018 10:32:00 PM

জোড়া সেঞ্চুরিতে ওলট-পালট রেকর্ড বুক

ক্রীড়া প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে : প্রথমে সৌম্য সরকার, পরে ইমরুল কায়েস। জোড়া সেঞ্চুরির স্বাদ পেল বাংলাদেশ। তাতেই ওলট-পালট রেকর্ড বুক। জোড়া সেঞ্চুরিতে ভাস্বর দুই বাঁহাতি।

দলীয় শূন্য রানে ইমরুলের বিদায়ে দুই ওপেনারের শুরুটা একই বিন্দু থেকে। ঝড় তুলে ইমরুল প্রথমে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। অপরপ্রান্তে সৌম্য বাহবা দিয়েছিলেন। খানিকবাদে সৌম্য তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। চোখের পলকে পৌঁছে যান তিন অঙ্কে। ব্যাট হাতে মুগ্ধতা ছড়ানো ইনিংস সেখানেই থেমে থাকেনি। ১১৭ রান করে ফেরেন সাজঘরে। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৯২ বলে ৯ চার ও ৬ ছক্কায়। এক ইনিংসে সবথেকে বেশি ছক্কার রেকর্ড রয়েছে তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকারের। আজও সৌম্য ৬ ছক্কা হাঁকিয়েছেন।

সঙ্গী হারানোর পর ইমরুল তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি, চলতি সিরিজের দ্বিতীয়। ইস! দ্বিতীয় ম্যাচে কতো বড় ভুলটাই না করেছিলেন ইমরুল। ৯০ রানে ফিরেছিলেন সাজঘরে। দ্বিতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরি পেলে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে টানা তিন ইনিংসে তিন সেঞ্চুরির রেকর্ড হতো। না হওয়ায় খানিকটা আক্ষেপ থাকতেই পারে ইমরুলের। 

২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরির স্বাদ পেল বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ হাঁকিয়েছিলেন সেঞ্চুরি। ২০১৫ সালে এ কীর্তি গড়েছিলেন তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম।

লিটন সাজঘরে ফেরার পর ২২০ রানের জুটি গড়েন ইমরুল ও সৌম্য। দ্বিতীয় উইকেটে যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে যা বাংলাদেশের রেকর্ড। কিছুদিন আগেই সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল দ্বিতীয় উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০৭ রান করেছিলেন। মাত্র ৫ রানের জন্য যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড মিস করেন দুই বাঁহাতি। জোড়া সেঞ্চুরির ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ ও সাকিব ২২৪ রান করেছিলেন।

এক সিরিজে জোড়া সেঞ্চুরি তুলে তামিম ও মাহমুদউল্লাহর পাশে নাম লিখিয়েছেন ইমরুল। মাহমুদউল্লাহ ২০১৫ বিশ্বকাপে জোড়া সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। তামিম ইকবাল ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে, ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জোড়া সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন।

দ্বিপক্ষীয় সিরিজে বাংলাদেশের হয়ে সবথেকে বেশি রানের মালিক এখন ইমরুল। শীর্ষে উঠতে ইমরুল ছাড়িয়ে গেছেন তামিম ইকবালকে। ২০১৫ বিশ্বকাপের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ২ সেঞ্চুরি আর এক হাফ সেঞ্চুরিতে তামিম করেছিলেন ৩১২ রান। ইমরুলের রান এখন ৩৪৪।

Thursday, October 25, 2018

10/25/2018 06:50:00 PM

খুলনায় চ্যাম্পিয়নদের হার

ক্রীড়া রিপোর্ট : ওয়ালটন জাতীয় ক্রিকেট লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন খুলনা বিভাগ। ওয়ালটন ২০তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের চার রাউন্ড শেষ হয়েছে। কিন্তু এখনো জয়ের মুখ দেখেনি চ্যাম্পিয়নরা। উল্টো চতুর্থ রাউন্ডে আজ নিজেদের মাঠে রাজশাহী বিভাগের কাছে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হার মেনেছে খুলনা। জয়ী দল রাহশাহী পেয়েছে ৯.৮ পয়েন্ট। আর খুলনা পেয়েছে মাত্র ১.১ পয়েন্ট।
এই হারের ফলে প্রথম স্তরের পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে অবস্থান নিয়েছে চ্যাম্পিয়নরা। ৪ ম্যাচের ৩টিতে ড্র করে ও ১টিতে হেরে ১১.০৪ পয়েন্ট নিয়ে খুলনা রয়েছে সবার নিচে। অন্যদিকে চার ম্যাচের ১টিতে জিতে ২২.৮১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান নিয়েছে রাজশাহী বিভাগ। ১৭.৯৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে রংপুর বিভাগ। ১১.১১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বরিশাল বিভাগ। অবশ্য শেষ দুই রাউন্ডে জয় তুলে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে খুলনার সামনে। এখন দেখার বিষয় সেটা তারা করে দেখাতে পারে কিনা।

বৃহস্পতিবার চতুর্থ রাউন্ডের শেষ দিনে মূলত রাজশাহীর বোলারদের কাছে হেরেছে খুলনা। প্রথম ইনিংসে খুলনার করা ৩০৯ রানের জবাবে রাজশাহী তোলে ৪৩১ রান। ১২২ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে খুলনা। কিন্তু রাজশাহীর বোলারদের তোপের মুখে মাত্র ১৫৮ রানে অলআউট হয়ে যায় চ্যাম্পিয়নরা। তাতে রাজশাহীর সামনে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় মাত্র ৩৭ রান। হাতে ২২ ওভার থাকলেও মাত্র ৪.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে রাজশাহী। রাজশাহীর যে দুটি উইকেটের পতন ঘটেছে দুটিই নিয়েছেন খুলনার আল-আমিন হোসেন। রাজশাহীর অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম অমি ৬ বলে অপরাজিত ১৫ রান করেন।

তার আগে খুলনার ইনিংসে বল হাতে ধ্বস নামান রাজশাহীর পেসার ফরহাদ রেজা, শফিউল ইসলাম ও মুক্তার আলী। ফরহাদ রেজা ১৬ ওভার বল করে ৭ মেডেনসহ মাত্র ২৬ রান দিয়ে নেন ৪টি উইকেট। মুক্তার আলী ৭ ওভার বল করে ৩ মেডেনসহ মাত্র ১৩ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট। আর শফিউল ১৬ ওভারে ১ মেডেনসহ ৫৯ রান দিয়ে নেন ৩টি উইকেট। 

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে খুলনার নাহিদুল ইসলাম সর্বোচ্চ ৩০* রান করেন। এ ছাড়া সৌম্য সরকারের বদলি হিসেবে নামা রবিউল ইসলাম রবি ২৪, মইনুল ইসলাম ২৩ ও নুরুল হাসান ২২ রান করেন। ম্যাচসেরা হন রাজশাহীর পেসার ফরহাদ রেজা।
10/25/2018 01:18:00 AM

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অপরাজিত বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম অফিস : আকরাম খান, মোহাম্মদ রফিক, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু কিংবা খালেদ মাসুদ, খালেদ মাহমুদ ও হাবিবুল বাশাররা স্বপ্ন দেখাতেন বড় দল হওয়ার। ম্যাচের পর ম্যাচে ব্যর্থতার দায় নিতেন। স্বপ্ন দেখাতেন বদলে যাওয়া বাংলাদেশের।

২০১৫ বিশ্বকাপের পর সেই পালে লাগল হাওয়া। রঙিন পোশাকে হাল ধরলেন মাশরাফি। সময়ের ধারাবাহিকতায় পাল্টাল চিত্র। সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ এগিয়ে এলেন। যোগ হলেন মুস্তাফিজ, সৌম্য, মিরাজ ও সাব্বিরদের মতো তরুণরা। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এখন বাংলাদেশ বড় দল। এখন বাংলাদেশ অনেক পরিণত। হেসে খেলে হারিয়ে দিতে পারে যেকোনো দলকে। ঘুরে দাঁড়াতে পারে যেকোনো সময়ে, যেকোনো পরিস্থিতিতে।

যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম দশ ম্যাচে কোনো জয় পায়নি সেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ ১১ ম্যাচে অপরাজিত বাংলাদেশ। মঙ্গলবার সেই তালিকায় যোগ হলো আরেকটি। টানা ১২ ম্যাচ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অপরাজিত বাংলাদেশ । আর এ জয়ে বাংলাদেশ জিতে নিল সিরিজ। বাংলাদেশের ২৩তম এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দশম সিরিজ জয়।

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে জয়ের অর্ধেক কাজ আগেই করে রেখেছিলেন মাশরাফি। শিশির ভয়ে গেল দুদিনই কপালে ভাজ ছিল টিম ম্যানেজম্যান্টের। মাশরাফি টস জেতায় স্বস্তি ফিরে আসে। বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে সফরকারীদের ২৪৬ রানে আটকে রাখে দল। পরবর্তীতে সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ৭ উইকেট হাতে রেখে। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ বাংলাদেশের।

লক্ষ্য ছিল হাতের নাগালেই, ২৪৭ রান। দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন লিটন ও ইমরুল। দুজনের ১৪৮ রানের জুটিতে সহজেই জয় দেখছিল বাংলাদেশ। দুজনই তখন পৌঁছে হাফ সেঞ্চুরিতে। ইনিংস বড় করার কাজ করছিলেন। কিন্তু হঠাৎই লিটন হাল ছাড়লেন। সিকান্দার রাজার বল তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন কভারে। ৭৭ বলে ৮৩ রানের ইনিংসটি শেষ হয় ১২ চার ও ১ ছক্কায়।

তিনে নামা ফজলে রাব্বী আবারও হতাশ করেন। অভিষেকে ডাকের তিক্ত স্বাদ পাওয়া ব্যাটসম্যান আজও শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। বাংলাদেশের চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকের পর জোড়া ডাকের তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি রাব্বী। লিটন ও রাব্বীর দ্রুত বিদায়ে মনোবল হারায়নি বাংলাদেশ। একপ্রান্তে ইমরুল ছিলেন অবিচল। আর মুশফিক বরাবরের মতোই সুন্দর। দুজনের ৫৯ রানের জুটিতেই শেষ হতে পারত ম্যাচ। কিন্তু নিজের মেজাজ হারিয়ে নার্ভাস নাইন্টিজে উইকেট বিসর্জন দিলেন ইমরুল।

আহ! জোড়া সেঞ্চুরির সূবর্ণ সুযোগ মিস। রাজার বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন লং অফে। ১১১ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৯০ রানের ইনিংসটি শেষ হয় ওখানেই। জয়ের বাকি কাজটুকু সারেন মিথুন ও মুশফিক। জয়ের রানটা আসে মিথুনের ব্যাট থেকে। মিথুন ২১ বলে ২৪ ও মুশফিক ৫২ বলে ৪০ রানে অপরাজিত।

এর আগে বোলাররা বাংলাদেশকে দিয়েছিলেন জয়ের ভীত। প্রথম ওয়ানডের পর পেসার সাইফউদ্দিন আজও নেন ৩ উইকেট। একমাত্র নাজমুল অপু বাদে বাকি সবাই পেয়েছেন উইকেটের স্বাদ। ম্যাচসেরা পুরস্কারটা উঠেছে তরুণ সাইফউদ্দিনের পাশে। দীর্ঘদিন পর দলে ফিরে সাইফউদ্দিন নিজেকে নতুন করে চেনাচ্ছেন বড় মঞ্চে।

জিম্বাবুয়ের পরাজয়ের দিনে ব্যাট হাতে দারুণ লড়াই করেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। তিনে নামা ব্রেন্ডন টেলর করেন সর্বোচ্চ ৭৫ রান। ৪২ রানে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যাওয়া টেলর ফেরেন মাহমুদউল্লাহর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে। মাহমুদউল্লাহ টেলর ও উইলিয়ামসের ৭১ রানের জুটি ভাঙার পর সিকান্দার রাজা ৪৯ রান করে দলের স্কোর সচল রাখেন। কিন্তু বেশিদূর নিয়ে যেতে পারেননি। মাশরাফি তাকে ফেরালে তাদের বড় ইনিংসের স্বপ্ন শেষ হয়। ২৪৬ রানের লড়াকু পুঁজি পেলেও বাংলাদেশের সামনে তা হয়ে উঠে মামুলী। তাইতো চওড়া হাসি দিয়ে সাগরপাড়ের মিশন শেষ করল টাইগাররা।

অনেক জয়ের সাক্ষী হয়ে আছে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়াম। দক্ষিণ আফ্রিকাকে সিরিজ হারানোর সুখস্মৃতি, বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৬১ রানে অলআউটের রেকর্ড তো এখানেই। পয়মন্ত এ ভেন্যুতেই এবার লাল-সবুজের পতাকা আরেকবার উড়ল। উড়ল বিজয়ের নিশান। ইনজুরির কারণে সাকিব ও তামিম নেই। দলের দুই সিনিয়রকে ছাড়া দল যে ভালো খেলতে পারে, দাপটের সঙ্গে জিততে পারে তার প্রমাণ পেল ক্রিকেট বিশ্ব। এ যেন বড় দল হয়ে উঠার প্রতিচ্ছ্ববি।

Tuesday, October 23, 2018

10/23/2018 11:33:00 PM

শতভাগ সাফল্য ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ মাশরাফিদের

চট্টগ্রাম অফিস : ওয়ানডেতে বাংলাদেশ সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছে কাদের বিপক্ষে? কিংবা বাংলাদেশ সবথেকে বেশি ম্যাচ জিতেছে কাদের বিপক্ষে? বাংলাদেশের ক্রিকেটকে খুব কাছ থেকে যারা অনুসরণ করেন তাদের কাছে এ উত্তরটা বেশ সহজ। অবশ্য উত্তরটা জানার জন্য ক্রিকেটপ্রেমী হবারও প্রয়োজনও নেই!

ওয়ানডেতে দুই দলের ৭০ মুখোমুখিতে বাংলাদেশ জিতেছে ৪২ ম্যাচে। শেষ ১১ ম্যাচে কোনো পরাজয় নেই তাদের বিপক্ষে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ সবথেকে বেশি ওয়ানডে সিরিজও জিতেছে। ২২ ওয়ানডে সিরিজ জেতা বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জিতেছে ৯ সিরিজ। এবার সেই সাফল্য পাতায় এবার আরেকটি অর্জন উঁকি দিচ্ছে।

বুধবার দুই দলের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে। প্রথম ওয়ানডে ২৮ রানে জিতে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে। আগামীকাল বিজয়ের পতাকা উড়ালে বাংলাদেশের সাফল্য ভান্ডারে যুক্ত হবে আরেকটি সিরিজ।

নিজেদের পয়মন্ত মাঠে বাংলাদেশ খেলতে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম বিভিন্ন কারণে ক্রিকেটারদের প্রিয়। এবার সেখানেই জিম্বাবুয়েকে আতিথেয়তা দেবে বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে এখানে ১৭ ম্যাচে ১০টি জিতেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এখানে নেই হারের কোনো রেকর্ড। পাঁচ ম্যাচের পাঁচটিই জিতেছে বাংলাদেশ। তাইতো হট ফেভারিট বাংলাদেশ এ ম্যাচেও ফেভারিট। তবে কাজটা কি খুব সহজ? মোটেও না।
মাশরাফি সতর্ক করার জন্য বললেন, ‘ওদের সব সিনিয়র খেলোয়াড়রাই এসেছে। তারা তাদের সেরা খেলা খেললে আমাদের জন্য কঠিন হবে। সেজন্য আমরা এশিয়া কাপে যে মানসিকতা নিয়ে খেলেছি এখানেও আমরা সেই মানসিকতা নিয়েই খেলব। আমরা কোনো যেন ভুল না করি সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এখানে আমরা হংকংয়ের সাথে হেরেছি। তাই আমরা কোনো সুযোগ দিতে চাই না।’

মাশরাফির কথার সাথে কাজের প্রমাণ পাওয়া গেল মাঠেই। সংবাদ সম্মেলনের আগে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ। শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছে বাংলাদেশ। অনুশীলনে নামার আগে চলে টিম মিটিং। প্রায় ১০ মিনিটের টিম মিটিং শেষে স্কিল অনুশীলনে নামে দল।। পুরো দলকেই লাগছিল তরতাজা, প্রাণবন্ত। দল যে প্রথম জয়ের পর আত্মতুষ্টিতে ভুগছে না তা তাদের শারীরিক ভাষা দেখেই বোঝা যাচ্ছিল।  

ওয়ানডে এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ ১১ ম্যাচেই জয় নেই জিম্বাবুয়ের। তবুও বাংলাদেশকে হারানোর প্রত্যয় জিম্বাবুয়ের। এজন্য কোচ লালচাঁদ রাজপুত সিনিয়র ক্রিকেটরাদের দায়িত্ব নিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

তার ভাষ্য, ‘সিনিয়র ক্রিকেটারদের দায়িত্ব নিতে হবে। মাসাকাদজা প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিল। আশা করি মূল সিরিজেও সেই ধারা ধরে রাখতে পারবে। ব্রেন্ডন টেইলর শুরুটা ভালো করছে, শেষ করতে পারছে না। আশা করি তারা বড় স্কোর পাবে। আমি নিশ্চিত যে তারা বড় ইনিংসের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে পারছে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি বড় ইনিংস আসছে।’

দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজপুতের অধীনে ১৫ ম্যাচ খেলেছে জিম্বাবুয়ে। ১৫টিতেই হেরেছে তারা। মাঝে দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা বাইরে ছিলেন। তারা ফিরে আসার পর পারফরম্যান্সের কোনো উন্নতি হয়নি।  তার দল পরাজয়ের বৃত্ত ভাঙার খুব কাছেই আছে বলে বিশ্বাস রাজপুতের, ‘আমরা সবাইকে একসঙ্গে পেয়েছি, দিনটা শিগগিরই আসবে, যেদিন আমরা শেষ করে আসতে পারব।’

এই ‘শেষ’টা আগামীকালই নাকি সেটা দেখার অপেক্ষা। তবে জহুর আহমেদে শেষ করে আসতে না পারলে জিম্বাবুয়ে পাবে আরেকটি সিরিজ হারের লজ্জা। বাংলাদেশের সাফল্য পাতায় যুক্ত হবে আরেকটি অর্জন।

Monday, October 22, 2018

10/22/2018 10:48:00 PM

বিশ্বকাপে যাচ্ছে মেয়েরা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ উড়াল দেবে বাংলাদেশ দল। টুর্নামেন্টে ভালো করার ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের অধিনায়ক ও কোচ।

এর আগে দুবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। দুই আসরে আট ম্যাচে জয় মাত্র একটি। ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে একমাত্র জয়টা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ভারতে ২০১৬ সালে পরের আসরে চার ম্যাচের সবগুলোতেই হার সঙ্গী করে বাংলাদেশ।

তবে দুই বছরে বাংলাদেশ দল বদলে গেছে অনেকটাই। গত জুনে আগের ছয় আসরের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো জিতেছে এশিয়া কাপ শিরোপা। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়ে জায়গা করে নিয়েছে মূল মঞ্চে।

মূল মঞ্চে অবশ্য বাংলাদেশকে কঠিন পরীক্ষাই দিতে হবে। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশকে লড়তে হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং শ্রীলঙ্কার সঙ্গে। সেরা দুই দল পাবে সেমিফাইনালের টিকিট। গ্রুপটা কঠিন হলেও ভালো কিছুরই আশা করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সালমা খাতুন।

মিরপুরে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে সালমা বলেছেন, ‘গ্রুপ দুটোই বেশ শক্তিশালী, দুটো গ্রুপকেই শক্তিশালী করে দেখা হচ্ছে। এখন কিন্তু আমাদেরকে নিয়েও সবাই চিন্তা করে। আশা করছি সবকিছু মিলিয়ে আমরা খুব ভালো করব। সবাইকে আশা দিতে পারি এবার।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কন্ডিশন বাংলাদেশের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। সেজন্য অবশ্য ১০-১২ দিন আগেই ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ভালো করার আশা সালমার, ‘কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতেই আমরা ১০-১২ দিন আগে যাচ্ছি। ওদের কন্ডিশন, আবহাওয়া এবং উইকেট নিয়ে আমাদের সবই অজানা। আমরা যেহেতু আগে যাচ্ছি, তাই আশা করছি সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে আমরা ভালো করব।’

এ মাসের শুরুতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের চার ম্যাচের একটিতেও অবশ্য জয় পায়নি বাংলাদেশ। হেরেছে তিন ম্যাচ, একটি পরিত্যক্ত হয়। তবে একমাত্র ওয়ানডেতে ম্যাচে পাকিস্তানের মেয়েদের হারায় সালমা-রুমানারা। সালমাকে আত্মবিশ্বাসী করছে সেটিই, ‘পাকিস্তানের সঙ্গে ম্যাচের পরে এখানে এসে আমরা ক্যাম্প করেছি। দুটো ম্যাচও খেলেছি। আমাদের মেয়েরা অনেকেই কামব্যাক করেছে। ওই কামব্যাক আমাদের দরকার। যেহেতু ওয়ানডেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি ম্যাচে আমরা জিতে এসেছিলাম। এজন্য আমরা আত্মবিশ্বাসী। আশা করি আত্মবিশ্বাস নিয়েই সেখানে ভালো খেলব আমরা।’

কোচ আঞ্জু জাইনের কণ্ঠেও আত্মবিশ্বাসের সুর, ‘সবাই এই মুহূর্তে দারুণ আত্মবিশ্বাসী। আমি আশা করি এই বিশ্বকাপটি আমাদের জন্য দারুণ হতে যাচ্ছে। মেয়েরা ভালো ফলাফল করবে আশা করি।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটাররা ভালো করতে পারেননি। সেটা নিয়ে অবশ্য চিন্তিত নন কোচ, ‘এটা আসলে চিন্তার তেমন কিছু নয়। এখানে কিছু ব্যাপার আছে অবশ্যই। কেননা এটা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট, অনেকটা অননুমেয়। আমি এখনো অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী আমার দলের ব্যাটিং ইউনিট নিয়ে। তারা অবশ্যই ভালো করবে। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি, যেখানেই ম্যাচ খেলছি তারা রান করছে, আমি তাদের নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।’

আগামী ৯ নভেম্বর গায়ানায় বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লড়াই দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান। ১২ নভেম্বর সালমাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, ১৪ নভেম্বর শ্রীলঙ্কা ও ১৮ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ। বিশ্বকাপ শুরুর আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে বাংলাদেশ দল।
10/22/2018 12:38:00 AM

প্রত্যাশিত জয়ে শুরু বাংলাদেশের

ক্রীড়া রিপোর্ট : দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পর চমৎকার বোলিং। বল-ব্যাটে কড়া দাপট। ২২ গজে চড়া হাসি। এ যেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রতিচ্ছ্ববি।

এশিয়া কাপে যেখানে শেষ করেছিল বাংলাদেশ, ঠিক সেখান থেকে শুরু। ঘরের মাঠে আট মাস পর মাঠে নামল বাংলাদেশ। তাইতো মিরপুরে উপস্থিত প্রায় ১৮ হাজার দর্শক। উপস্থিত দর্শকদের হতাশ করেননি মাশরাফিরা। জয় নিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করল বাংলাদেশ। ইমরুল, নাজমুল, সাইফউদ্দিন ও মিরাজদের দাপটে স্রেফ উড়ে গেছে জিম্বাবুয়ে।

আগে ব্যাটিং করে ৮ উইকেটে বাংলাদেশ তুলেছে ২৭১ রান। জবাবে জিম্বাবুয়ে ৯ উইকেটে ২৪৩ রানের বেশি করতে পারেনি। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতেছে ২৮ রানে। 

সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ইমরুল কায়েস। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ পায় কাঙ্খিত পুঁজি। হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দুজনের ১২৭ রানের জুটিতে বাংলাদেশ পায় লড়াকু সংগ্রহ। সেই রান তাড়া করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। বোলিংয়ে নাজমুল, মিরাজদের দাপটে লক্ষ্য আকাশচুম্বি হয়ে যায় সফরকারীদের জন্য।

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ইনিংসকে ভাগ করতে হবে তিনভাগে। প্রথমে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ১৭ রান তুলতেই ২ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। লিটন দুবার জীবন পেয়ে করেন মাত্র ৪ রান। অভিষিক্ত ফজলে রাব্বী খুলতে পারেননি রানের খাতা। দুজনকেই ফেরান পেসার চাতারা।

এরপর মুশফিক-ইমরুলের প্রতিরোধে দলের রান পৌঁছায় ৬৬ রানে। মুশফিক (১৫) হাল ছেড়ে দিলেও ইমরুল ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। উইকেটের চারপাশে শট খেলে দ্রুত রান তোলেন এ বাঁহাতি। তাকে চতুর্থ উইকেটে সঙ্গ দেন মিথুন। মিডল অর্ডারে জায়গা পোক্ত করা মিথুন সাবলীলভাবেই নিজের খেলা খেলছিলেন।

দুজনের ৭১ রানের জুটিতে বাংলাদেশ বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু হঠাৎ পথ হারায়। স্পিনারদের দাপটের সঙ্গে খেলা মিথুন ও ইমরুলকে ফেরাতে পেস আক্রমণ নিয়ে আসেন মাসাকাদজা। তাতেই পেয়ে যান সাফল্য। ১৪ বল ও ২ রানের ব্যবধানে বাংলাদেশ হারায় ৩ গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। ৩টি উইকেটই নেন জারভিস।

শুরুটা মিঠুনকে দিয়ে। ৪০ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৭ রান করা মিথুন অযথা খোঁচা মারতে গিয়ে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দেন। মাহমুদউল্লাহরও একই পরিণতি। ডানহাতি পেসারের বলে টেলরের হাতে ক্যাচ দেন। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে রিভিউ নিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু তাতেও বাঁচতে পারেননি। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ১ রানে ক্যাচ দেন ওই টেলরের হাতেই।





দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে খাদের কিনারায় ছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে ফিরে আসতে প্রয়োজন ছিল বিশাল এক জুটি। কাজের কাজটা করে দেন ইমরুল ও সাইফ উদ্দিন। সপ্তম উইকেটে তাদের রেকর্ড রানের জুটিতে স্বস্তি পায় বাংলাদেশ। এর আগে ২০১০ সালে ডানেডিনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০১ রানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিক ও নাঈম। আজ তাদের ছাড়িয়ে মিরপুরে নতুন রেকর্ড বুক ওপেন করলেন ইমরুল-সাইফউদ্দিন।

জুটির রেকর্ড গড়ার পথে ইমরুল তুলে নেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি। এর আগের তার দুই সেঞ্চুরির ম্যাচে জেতেনি বাংলাদেশ। আজ জেতায় সেঞ্চুরিটি তার কাছে বিশেষকিছু। রঙিন পোশাকে ১৩ ইনিংস পর সেঞ্চুরি পেলেন ইমরুল। অথচ প্রথম সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পেতে তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৪৯ ইনিংস! সেঞ্চুরির পর ঝড় তুলে ১৪৪ রানে আউট হন। যৌথভাবে যা বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। সর্বোচ্চ ১৫৪ রান তামিম ইকবালের দখলে। ইমরুল ১৪০ বলে ১৩ চার ও ৬ ছক্কায় সাজান ইনিংসটি।

দলে ফেরা সাইফউদ্দিন বোলিংয়ের আগে ব্যাটিংয়ে দলের প্রয়োজন মেটান। প্রথম আন্তর্জাতিক হাফ সেঞ্চুরির স্বাদ পান বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ৬৯ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৫০ রান। বল হাতে জিম্বাবুয়ের সেরা জারভিস। ৩৭ রানে নেন ৪ উইকেট।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ভয় দেখিয়েছিলেন মাসাকাদজা ও জোয়াহও। ৪৮ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন তারা। অষ্টম ওভারে এ জুটি ভাঙেন মুস্তাফিজ। নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলে তুলে নেন জোয়াহওর উইকেট। উইকেটে আসা ব্রেন্ডন টেলরকে টিকতে দেননি নাজমুল। বাঁহাতি স্পিনার বোল্ড করেন টেলরকে।

এরপর হ্যামিলটন মাসাকাদজা রান আউট হন নিজের দোষে। ইমরুলের থ্রোতে অসাধারণ দক্ষতায় উইকেট ভাঙেন মুশফিক। সিকান্দার রাজাও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। নাজমুলের অসাধারণ ডেলিভারীতে বোল্ড হন ৭ রানে। দলীয় শতরানে ক্রেইগ আরভিনকে হারায় জিম্বাবুয়ে। মিরাজের বলে বোল্ড হন ১০ রানে মুশফিকের হাতে জীবন পাওয়া আরভিন। শতরান তুলতেই জিম্বাবুয়ের নেই ৫ উইকেট। স্কোরবোর্ডে ৬৯ রান যোগ হতে সাজঘরে আরও ৩ ব্যাটসম্যান।

লক্ষ্য তখন নাগালের বাইরে। জিম্বাবুয়ের রান যখন ৮ উইকেটে ১৬৯ তখন থেকেই জয় দেখছিল বাংলাদেশ। কিন্তু জয়ের আশা ছাড়েননি শন উইলিয়ামস ও জারভিস। দুজন নবম উইকেট ৬৭ রান যোগ করেন। যা শুধু পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে মাত্র। উইলিয়ামস ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন। ২ রান করেন চাতারা।

বল হাতে মিরাজ ৩টি, নাজমুল নেন ২ উইকেট।  ১টি করে উইকেট নেন মুস্তাফিজ ও মাহমুদউল্লাহ।

‘ছোট’ সিরিজে বাংলাদেশের সামনে ছিল ‘বড়’ চ্যালেঞ্জ। প্রথমত নিজেদের জয়ের ধারা অব্যাহত রাখা এবং দ্বিতীয়ত, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে না হারার চ্যালেঞ্জ। মাশরাফি আগের দিনই বলেছিলেন, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জিতলে সবাই বলবে স্বাভাবিক, হারলে ভিন্ন কথা হবে।’ তাইতো মাশরাফিরা ছিলেন সতর্ক। একাধিকবার ব্যাকফুটে চলে গেলেও বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে দারুণভাবে। অসাধারণ পারফরম্যান্সে উড়ছে লাল-সবুজের ঝান্ডা। দুরন্ত মাশরাফির দল।

Sunday, October 21, 2018

10/21/2018 08:07:00 PM

জুটির রেকর্ড, ইমরুলের সেঞ্চুরি-সাইফউদ্দিনের হাফ সেঞ্চুরি

ক্রীড়া প্রতিবেদক, মিরপুর থেকে : সপ্তম উইকেটে রেকর্ড রানের জুটি গড়লেন ইমরুল কায়েস ও সাইফ উদ্দিন।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুরে দলীয় ১৩৯ রানে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন মিরাজ। খাদের কিনারে বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যান বলতে কেবল রয়েছেন সাইফউদ্দিন। দলে ফেরা সাইফউদ্দিনের থেকে বড় কোনো প্রত্যাশা ছিল না কারোরই। শেষ দিকে দলের প্রয়োজন মেটাবেন বলেই তাকে ফিরিয়ে আনা।

কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে ওপেনার ইমরুলকে সঙ্গ দিলেন সাইফউদ্দিন। গড়লেন রেকর্ড। সপ্তম উইকেটে ১২৭ রানের জুটি গড়েন এ দুই ব্যাটসম্যান। তাদের ব্যাটে বাংলাদেশ পায় ২৭১ রানের বড় পুঁজি। বাংলাদেশ জয়ের স্বপ্ন বুনছে তাদের ব্যাটে।

ওপেনার ইমরুল পেয়েছেন সেঞ্চুরির স্বাদ, হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন সাইফউদ্দিন। ইমরুল ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৪৪ রানে। আর সাইফউদ্দিন প্রথম হাফ সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজান ৫০ রানের।

তিন ভাগে ভাগ করতে হবে বাংলাদেশের ইনিংসকে। ৬৬ রান তুলতে বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট। লিটন দাশ শুরুতে সাজঘরে ফেরেন ৪ রানে। ইনিংসের শুরুতে জীবন পাওয়ার পরও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ লিটন। চাতারা বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে আউট হন ৪ রানে। অভিষিক্ত ফজলে মাহমুদ হতাশ করেন।

চাতারার লাফিয়ে উঠা বলে খোঁচা মারতে গিয়ে আউট হন শূন্য রানে। বাংলাদেশের ১৩তম ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকে শূন্য রানে আউট হওয়ার অনাকাঙ্খিত রেকর্ড নিজের নামের পাশে যোগ করেন ফজলে রাব্বী। নির্ভরতার সবথেকে বড় নাম মুশফিক আজ জ্বলে উঠতে পারেননি। ২০ বলে ১৫ রান করে আউট হন মাভুতার বলে।

দ্রুত ৩ উইকেট হারানোর পর চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ পায় বাংলাদেশ। মিথুন ও ইমরুলের ব্যাটে দ্রুত রানের চাকা ঘুরতে থাকে। ২২ গজে জিম্বাবুয়ের স্পিনারদের বেশ দাপটের সঙ্গে মোকাবেলা করেন তারা। কিন্তু পেস বোলারদের ফিরিয়ে এনে ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ম্যাচে ফেরান মাসাকাদজা।

১৪ বলের ব্যবধানে বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট। ৩টি উইকেটই নেন জারভিস। শুরুটা মিথুনকে দিয়ে। জারভিসের বলে খোঁচা মেরে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দেন ৩৭ রানে। চার বল পর মাহমুদউল্লাহওকে সাজঘরের পথ দেখান জারভিস। টেলরের হাতে ক্যাচ দেন শূন্য রানে। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে রিভিউ নিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু সিদ্ধান্ত তার পক্ষে আসেনি। মিরাজও সাজঘরে ফেরেন জারভিসের বলে। মাত্র ২ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

সেখান থেকে ইমরুল ও সাইফউদ্দিনের নতুন লড়াই শুরু হয়। ১২৭র রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে এনে দেন লড়াকু পুঁজি। এর আগে সপ্তম উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান ছিল ১০১। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ডুনেডিনে ২০১০ সালে ১০১ রান করেন মুশফিক ও নাঈম। 

আজ ইমরুল ও সাইফ উদ্দিনের ব্যাটে রেকর্ড বুকে নতুন পাতা যোগ হয়েছে। ইমরুল ক্যারিয়ারের তৃতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি পেয়েছেন ১৩ ইনিংস পর। আর সাইফউদ্দিন হাফ সেঞ্চুরি পেলেন চতুর্থ ইনিংসে। যৌথভাবে ইমরুল ও মুশফিক রয়েছেন একই বিন্দুতে। ওয়ানডেতে দুজনের সর্বোচ্চ রান ১৪৪। তামিমের সর্বোচ্চ ১৫৪। ১৪০ বলে ১৩ চার ও ৬ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান ইমরুল। সাইফউদ্দি ৬৯ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৫০ রান।   

Saturday, October 20, 2018

10/20/2018 07:29:00 PM

লাখো মানুষের সমাগমে রূপসা নদীতে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত

এস এম এম রহমান : ঢাক-ঢোল আর ঝাঝরের বাজনায় ছলাত ছলাত ঢেউয়ের তালে রূপসা নদীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রাম বাংলার অপরুপ নান্দনিক শৈল্পিক সৌন্দর্যে ১৩তম নৌকা বাইচ। ২০ অক্টোবর বেলা ৩টায় খুলনা জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং নগর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে এ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের প্রতিযোগিতায় নৌকার মাপের ওপর ভিত্তি করে সারা দেশ থেকে আগত ২৪টি দলের বাইচ নৌকাগুলো তিন দলে ভাগ করা হয়। সন্ধ্যায় রূপসা ফেরি ঘাট চত্ত্বরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বেলা ১২টা থেকে নৌকা বাইচ দেখার জন্য নদীর দু’পাড়ে লাখো দর্শকের ভিড় জমে। তবে বাইচ শুরু হওয়ার সাথে সাথে আয়োজক কর্তৃপক্ষের অনুমতি বিহীন শত শত ট্রলারের ভিড়ে বাইচের পরিবেশ মারত্মকভাবে বিঘিœত হয়। অতিরিক্ত ঢেউয়ের কারণে ঘটে বাইচে অংশ নেওয়া নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা। বিগত বছরগুলির মত এবারের প্রতিযোগীতায়ও দুইটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 
তবে নদীতে থাকা শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার কাজে নিয়োজিত পুলিশ বাইচ শুরুর আগে নদীর নির্ধারিত সীমানা নিয়ন্ত্রনে রাখলেও বাইচ শুরুর পর পর তা নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায়।
এবারের প্রতিযোগিতায় কয়রা, পাইকগাছা, তেরখাদা, কালিয়া, নড়াইল থেকে ৯ টি বড় এবং ৭ টি ছোট বাইচ দল অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও গোপালগঞ্জ, মাদারিপুর ফরিদপুর এলাকার ৮টি বাচারি নৌকা নিয়ে একটি বিশেষ দল তৈরি করা হয়।
বড় দলের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে এক লাখ টাকা জিতে নেয় কয়রার সুন্দরবন টাইগার। দ্বিতীয় হয়ে পুরষ্কার হিসেবে ৬০ হাজার টাকা পান তেরখাদার ভাই ভাই জলপরী। আর তৃতীয় পুরস্কার ৩০ হাজার টাকা পান একই এলাকার আল্লাহ ভরসা।
ছোট গ্রুপে প্রথম হয়ে ৫০ হাজার টাকা পুরষ্কার পান পাইকগাছার ভাই ভাই দুরন্ত। দ্বিতীয় বিজয়ী দল কয়রার সোনার তরী পায় ৩০ হাজার টাকা। আর তৃতীয় স্থান অধিকারী দল পাইকগাছার দুরন্ত পায় ২০ হাজার টাকা।
বিশেষ বাচারি দলের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে ৫০ হাজার টাকা জিতে নেয় সোনাডাঙ্গার ফলিয়া এন্টারপ্রাইজ। দ্বিতীয় হিসেবে ৩০ হাজার টাকা পায় গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ার সোনার তরী। তৃতীয় পুরস্কার ২০ হাজার টাকা পায় একই এলাকার মা-বাবার আশীর্বাদ।
সকালে এই আয়োজন ঘিরে নগরীতে অনুষ্ঠিত হয় এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি। খুলনা সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক র‌্যালিটি উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে দুপুর ২ টায় ১ নং কাস্টম ঘাটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বাইচ প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় শেষ হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশন-এর মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা প্রশাসক মো. হেলাল হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, পুলিশ কমিশনার সর্দার রাফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ। গ্রামীণফোনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সার্কেল বিজনেস হেড মো. আওলাদ হোসেন, হেড অব ব্র্যান্ড এন্ড ডিজিটাল মার্কেটিং নাফিস আনোয়ার চৌধুরী, খুলনা সার্কেল মার্কেটিং হেড আবুল হাসনাত, খুলনা রিজিওনাল হেড আহসান হাবিব। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নগর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি মোল্লা মারুফ রশীদ, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান রহিম, প্রধান উপদেষ্টা শেখ আশরাফ-উজ-জামান।
প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড এর উপ-পরিচালক বিল্লাল হোসেন খান, খুলনা সিটি কর্পোরেশন এর ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রেজাউল করিম, নিজাম উর রহমান লালু, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সহ-সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মো. মোতালেব হোসেন মিয়া।
গোটা আয়োজনটি খুলনা সিটি কর্পোরেশন, খুলনা জেলা প্রশাসন, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‌্যাব, নৌ পুলিশ, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বন বিভাগ, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, বিআইডব্লিউটিএ, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি, রূপসা সেতু কর্তৃপক্ষ ও ট্রলার মালিক সমিতির তত্ত্বাবধানে সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করা হয়।

10/20/2018 12:52:00 AM

ইবাদতের পাঁচ উইকেটের পর সৌম্যর সেঞ্চুরি

ক্রীড়া রিপোর্ট : বাংলাদেশ সফরের শুরুটাও ভালো হলো না জিম্বাবুয়ে দলের। বিসিবি একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে হারল ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে।

দুই ভাগে ভাগ করতে হবে জিম্বাবুয়ের ইনিংসকে। ৪৭ রান তুলতেই নেই ৫ উইকেট। ষষ্ঠ উইকেটে প্রতিরোধ ১২৪ রানের। জুটি ভাঙার পর আবার ব্যাটিংয়ে ধস। ৭ রান তুলতেই শেষ ৫ ব্যাটসম্যান সাজঘরে। সব মিলিয়ে স্কোরবোর্ডে পুঁজি ১৭৮ রানের।

মাঝারি লক্ষ্য সহজেই তাড়া করে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বিসিবি একাদশ। মূল মঞ্চে মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা খেল সফরকারীরা। আর বিসিবি একাদশের জয়ে আত্মবিশ্বাস দ্বিগুণ হলো মূল দলের।

ব্যাটিং কিংবা বোলিং- কোনো বিভাগেই ভালো করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ৩-০ ব্যবধানে। টি-টোয়েন্টি সিরিজেও একই পরিণতি। দলের প্রতিটি ব্যাটসম্যান ও বোলার নিজেদের হারিয়ে খুঁজছেন। এদের মধ্যে আজ ব্যতিক্রম ছিলেন শুধু অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা।

ডানহাতি ওপেনার সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। পুরো দল মিলে যেখানে করেছে ১৭৮ রান, সেখানে মাসাকাদজার রান ১০২। দলের বাকিরা করেছেন ৭৬ রান। সফরকারীদের ইনিংসে ধস নামান বাংলাদেশের চার পেসার। ১০ উইকেটের প্রত্যেকটি নিয়েছেন পেসাররা। ডানহাতি পেসার ইবাদত হোসেন একাই নিয়েছেন ৫ উইকেট। জিম্বাবুয়ে সিরিজে মূল দলে ডাক পাওয়া পেসার সাইফউদ্দিন পেয়েছেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন ইমরান আলী ও মোহর শেখ।

জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা স্পিনে দুর্বল বলে তাদেরকে প্রস্তুতি ম্যাচে পরীক্ষায় ফেলেনি বিসিবি। কৌশলে পেসারদের দিয়ে দল সাজায় বিসিবি একাদশ। কিন্তু তাতেও সব পাওয়া হয়ে গেছে বিসিবি একাদশের।

সৌম্যর দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে বিসিবি একাদশ জিতেছে হেসেখেলে। শুরুটা অবশ্য নড়বড়ে ছিল দুই ওপেনার মিজানুর রহমান ও ফজলে রাব্বীর। ব্যাটে বল লাগাতে পারছিলেন না কোনোভাবেই। শটগুলোতেও ছিল না কোনো আত্মবিশ্বাস। এক বাউন্ডারি মেরে খোলস থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছিলেন মিজানুর। কিন্তু প্রান্ত বদল করতে গিয়ে রান আউট হন ঘরোয়া ক্রিকেটে পরীক্ষিত ওপেনার।

ফজলে রাব্বীরও একই অবস্থা। ১ রানে জীবন পান মিড অনে। এরপর কাইল জার্ভিসের বলে পয়েন্ট দিয়ে দুর্দান্ত চারে আশার আলো দেখিয়েছিলেন। কিন্তু ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ, অফ স্পিনার সিকান্দার রাজার বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে কভারে ক্যাচ দেন। ৩৪ বলে করেন ১৩ রান।

এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বিসিবি একাদশকে। ২২ গজে ব্যাট হাতে ‍দ্যুতি ছড়িয়ে যান সৌম্য। দল থেকে বাদ পড়ার পর ঘরোয়া ক্রিকেটে রান করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতা প্রস্তুতি ম্যাচে ধরে রাখেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

৫৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি আর ১০৯ বলে তুলে নেন সেঞ্চুরি। তিন অঙ্ক ছোঁয়ার পর শূন্যে লাফিয়ে সেঞ্চুরি উদযাপন করেন। বলার অপেক্ষা রাখে না তার চোখে মুখে ছিল বড় কিছু পাওয়ার আনন্দ।

রানের দেখা পেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও। দুজন তৃতীয় উইকেটে ১১১ রানের জুটি গড়েন। তাদের দৃঢ়তায় জয়ের খুব কাছাকাছি চলে যায় বিসিবি একাদশ। জয়ের থেকে ১৫ রান দূরে থাকতে মোসাদ্দেক ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ হন।  ৩৩ রান করেন মোসাদ্দেক। ব্যাটিংয়ে আসেন আরিফুল হক। শেষ পর্যন্ত তার ছক্কায় ১১ ওভার হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে স্বাগতিকরা।

সৌম্য অপরাজিত থাকেন ১০২ রানে। ১৩ চার ও ৪ ছক্কায় সাজান ইনিংসটি। আরিফুলের ব্যাট থেকে আসে ৯ রান। 

সৌম্যর সেঞ্চুরি আর পেসারদের দাপটের দিনে হেসেছেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। বিকেএসপিতে প্রস্তুতি ম্যাচে জয়ের সুবাস ছড়িয়েছেন সৌম্য, ইবাদতরা। এবার সেই সুবাস মিরপুরে ছড়ানোর পালা। ২১ অক্টোবর প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ে। 

Friday, October 19, 2018

10/19/2018 11:35:00 PM

শ্রীলঙ্কায় জয়ে শুরু বাংলাদেশের যুবাদের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : জয় দিয়ে শ্রীলঙ্কা সফর শুরু করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। প্রথম যুব টেস্টে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ১৩ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা।

কলম্বোর ননডেসক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব মাঠে শুক্রবার চতুর্থ ও শেষ দিনে পড়েছে মোট ১৯ উইকেট! শ্রীলঙ্কাকে ১৩৭ রানের লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছিল বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা গুটিয়ে যায় ১২৩ রানে।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩০৯ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা করেছিল ২৮৮। ২১ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ১৮ রান।

প্রান্তিক নওরোজ ৭ ও মাহমুদুল হাসান ৫ রান নিয়ে আজ শেষ দিনে ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন। তবে দুজন ফিরেছেন দুই অঙ্ক ছুঁয়েই। নওরোজ ১৩, মাহমুদুল করেন ১৪ রান।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে সফরকারীরা অলআউট হয় ১১৫ রানেই। সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান আকবর আলী। শামীম হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ১৯ রান। বাকিদের আর কেউ দুই অঙ্কে যেতে পারেননি।

শ্রীলঙ্কার আশিয়ান দানিয়েল ১৯ রানে নেন ৪ উইকেট। ৪৩ রানে ৩ উইকেট নেন রোহান সঞ্জয়া।

লক্ষ্য তাড়ায় শূন্য রানেই প্রথম উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। শাহিন আলম ও রকিবুল হাসানের দারুণ বোলিংয়ে এরপর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকরা।

৯৭ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর শ্রীলঙ্কাকে আশা দেখিয়েছিলেন চামিন্দু উইজেসিংহে। ইনিংস সর্বোচ্চ ২৯ রান করা উইজেসিংহেকে ফিরিয়েই বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন শরিফুল ইসলাম।

শাহিন ৩১ রানে ও রকিবুল ৩৪ রানে নেন ৩টি করে উইকেট। শরিফুল ও শামীমের ঝুলিতে জমা পড়ে একটি করে উইকেট।

আগামী মঙ্গলবার দ্বিতীয় যুব টেস্টে শ্রীলঙ্কার যুবাদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের যুবারা। এরপর পাঁচটি যুব ওয়ানডে খেলবে দুই দল।

Thursday, October 18, 2018

10/18/2018 09:49:00 PM

১১ হাজার রানের মাইলফলকে তুষার ইমরান

ক্রীড়া রিপোর্ট : একের পর এক মাইলফলে ছুঁয়ে চলছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে দেশের সেরা পারফরমার তুষার ইমরান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান আর সর্বোচ্চ শতকের অধিকারী তুষার ইমরান এবার পৌঁছালেন ১১ হাজার রানে। ওয়ালটন ২০তম জাতীয় ক্রিকেট লিগে শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে খুলনা বিভাগের হয়ে রংপুরের বিপক্ষে এই মাইলফলকে পৌঁছান তিনি।

গত মৌসুমেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০ হাজার রান পূর্ণ করেন। আর এ মৌসুমের তৃতীয় ম্যাচে এসেই এই মাইলফলকে পৌঁছালেন। আর মাইলফলকে পৌঁছার দিনে আরও একটি সেঞ্চুরি করেন তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এখন তার সেঞ্চুরি ৩১টি।

এই ম্যাচে মাঠে নামার আগে ১১ হাজার রানে পৌঁছাতে ৯৪ রান দরকার ছিল তার। প্রথম ইনিংসে তিনি করেন ১২ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে তার দরকার ছিল ৮২ রান।

বুধবার ৬৩ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। বৃহস্পিতবার শুরু করেন দেখেশুনে। ৬৫তম ওভারে সাজেদুলের বলে ২ রান নিয়ে এই মাইলফলকে পৌঁছান তিনি। মধ্যাহ্ন বিরিতর সময় তিনি অপরাজিত আছেন ১০২ রানে। ১৭০ বলে ৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে এ রান করেন তিনি।

মৌসুমের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে। ঠিক যেখান থেকে শেষ করেছিলেন গত মৌসুম, সেখান থেকেই যেন শুরু করলেন এ মৌসুম।

২০০৭ সালে সর্বশেষ জাতীয় দলে খেলার সুযোগ হয়েছিল তুষার ইমরানের। জাতীয় দলে তুষার ইমরানের ক্যারিয়ার খুব একটা বর্ণাঢ্য নয়। মাত্র ৫টি টেস্ট ম্যাচে সব মিলিয়ে তার রান ৮৯। তুষারের সমালোচকদের সবথেকে বড় জায়গা এটা। ঘরোয়া ক্রিকেটে এত এত রান করেন? জাতীয় দলে খেলতে পারেন না? টেস্টে যার গড় মাত্র ৮.৯০। অথচ সমালোচকদের জবাবটা দিয়েই যাচ্ছেন তিনি। গত ১১ বছরে তো জাতীয় দলে একবারের জন্যও সুযোগ পাননি। তাহলে সেখানে নিজেকে প্রমাণ করবেন কি করে? দীর্ঘদিন জাতীয় দলে না থাকলেও সুযোগটা যেখানেই পেয়েছেন, সেখানেই কাজে লাগিয়েছেন। আর তার সুফলটাও পাচ্ছেন এখন।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে তুষারের এই ধারাবাহিক পারফরমেন্স নির্বাচকদের কোনই বার্তা দিচ্ছে না?

Wednesday, October 17, 2018

10/17/2018 09:13:00 PM

শেষ মুহূর্তের গোলে আর্জেন্টিনাকে হারাল ব্রাজিল

সিএটিভি ক্রীড়া ডেস্ক : শেষ মুহূর্তের গোলে প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রাজিল। চার মিনিট যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্রাজিলের জয়সূচক গোলটা করেন মিরান্ডা সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আবদুল্লাহ স্পোর্টস সিটি মাঠে দক্ষিণ আমেরিকার দুই পরাশক্তির ম্যাচটি শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাত ১২টায়।

দুই দলের খেলোয়াড়রা যেন এদিন ফাউলের প্রতিযোগিতায় নেমেছিল! ম্যাচে ফাউল হয়েছে মোট ৩৫টি, যার ২১টি করেছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ১৪টি। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে ম্যাচের প্রথমার্ধে বল দখলে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। তবে মাঝে মধ্যেই ব্রাজিলের রক্ষণে ভীতি ছড়িয়েছেন আর্জেন্টিনার জিওভানি লো সেলসো ও পাউলো দিবালা।

২৮ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ব্রাজিল। কাসেমিরোর ক্রস থেকে মিরান্ডার শট ফাঁকি দিয়েছিল আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক সার্জিও রোমেরোকে। তবে গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে দেন ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডি। খানিক বাদে লো সেলসোর হেড ফিরিয়ে দেন ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন। বিরতির পর মাউরো ইকার্দির একটি প্রচেষ্টা রুখে দেন ডিফেন্ডার দানিলো।


৬৯ মিনিটে নেইমারের ফ্রি-কিক থেকে আর্থারের জোরালো ভলি ফিরিয়ে আর্জেন্টিনার ত্রাতা রোমেরো। একটু পর নেইমারের একটি ফ্রি-কিক বাধা পায় রক্ষণ দেয়ালে। শেষ দিকে আর্জেন্টিনাকে চেপে ধরে ব্রাজিল। সেটারই ফসল শেষ মুহূর্তের সেই গোল। নেইমারের কর্নার থেকে অরক্ষিত মিরান্ডার হেড খুঁজে নেয় আর্জেন্টিনার জাল। রাশিয়া বিশ্বকাপের পর চার ম্যাচে এই প্রথম গোল হজম করল আর্জেন্টিনা।

এই জয়ে মধুর প্রতিশোধ নিল ব্রাজিল। এর আগে দুই দলের সবশেষ দেখায় গত বছরের জুনে মেলবোর্নে যে আর্জেন্টিনার কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল ব্রাজিল। সব মিলিয়ে দুই দলের শেষ ছয়বারের দেখায় চারবারই জিতল ব্রাজিল।
10/17/2018 07:07:00 PM

ওয়ালটন ৫ম জাতীয় যুব মহিলা হ্যান্ডবলে জামালপুর চ্যাম্পিয়ন

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ‘ওয়ালটন ৫ম জাতীয় যুব মহিলা হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা-২০১৮’ তে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা। জামালপুরের এটা প্রথম শিরোপা। রানার্স-আপ হয়েছে নওগাঁ জেলা ক্রীড়া সংস্থা। আগের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা।

আজ বুধবার ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা ২৮-১৬ গোলে নওগাঁ জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। চ্যাম্পিয়ন দল প্রথমার্ধে ১৭-৯ গোলে এগিয়ে ছিল। জামালপুরের পক্ষে আল্পনা আক্তার ৮টি, মিষ্টি খাতুন ৬টি ও সাবিনা আক্তার ৬টি গোল করেন। নওগাঁর হয়ে নুরজাহান ৫টি, পুর্ণিমা ৪টি ও নাজমিন ৪টি গোল করেন। প্রতিযোগিতায় জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা আল্পনা আক্তার সেরা খেলোয়াড় হন ।

ফাইনাল ম্যাচটি বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে প্রতিযোগিতার মিডিয়া পার্টনার এটিএন বাংলা।

টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল জামালপুর ও রানার্স-আপ দল নওগাঁ ও তৃতীয় হওয়া পঞ্চগড় দলকে ট্রফি ও মেডেল দেওয়া হয়। এ ছাড়া পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের পক্ষ থেকে হোম অ্যাপ্লায়েন্স দিয়ে চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও তৃতীয় স্থান অধিকারী দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করা হয়।

ফাইনাল শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার প্রদান করেন ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর (গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস) এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট প্রবীণ ক্রীড়া সংগঠক আলহাজ্ব ফরিদা আক্তার বেগম ও জহিরুল ইসলাম টুটুল, হেড অব প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট, রেডিও টুডে ৮৯.৬ এফ.এম। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম, ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী সদস্য ও টুর্নামেন্ট কমিটির সম্পাদক মো. মকবুল হোসেনসহ ফেডারেশনের অনান্য কর্মকর্তাগন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর।

এবারের এই প্রতিযোগিতায় চারটি গ্রুপে ১২টি দল অংশ নিয়েছিল। ‘ক’ গ্রুপে ছিল নওগাঁ জেলা ক্রীড়া সংস্থা, যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও গোপালগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা। ‘খ’ গ্রুপে ছিল জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা, দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও মাদারীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা। ‘গ’ গ্রুপে ছিল পঞ্চগড় জেলা ক্রীড়া সংস্থা, নড়াইল জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ফরিদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা। ‘ঘ’ গ্রুপে ছিল ঢাকা জেলা ক্রীড়া সংস্থা, ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা।

১৩ ও ১৪ অক্টোবর হয় গ্রুপ পর্বের খেলাগুলো। চার গ্রুপের সেরা চারটি দল সেমিফাইনালে উঠে। ১৫ অক্টোবর হয় দুটি সেমিফাইনাল। ১৬ অক্টোবর হয় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। আর আজ ১৭ অক্টোবর বিকেলে হল ফাইনাল।

এই প্রতিযোগিতার মিডিয়া পার্টনার ছিল এটিএন বাংলা, রেডিও পার্টনার ছিল রেডিও টুডে। সহযোগিতায় ছিল ওয়ালটন গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল। আর অনলাইন পার্টনার হিসেবে ছিল দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল রাইজিংবিডি.কম।
10/17/2018 01:28:00 AM

এশিয়া কাপের ভুল শুধরানোর লক্ষ্য বাংলাদেশের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে পাঁচটি ওয়ানডে এবং দুটি চারদিনের ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ দল।

সিরিজটি খেলতে আগামী ১৩ অক্টোবর ঢাকা ছাড়বে যুবারা। দুদিনের বিশ্রাম-অনুশীলন শেষে ১৬ অক্টোবর প্রথম চার দিনের ম্যাচ খেলতে নামবে জুনিয়র টাইগাররা। পরের চারদিনের ম্যাচটি শুরু হবে ২৩ অক্টোবর।

পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি ৩০ অক্টোবর, ডাম্বুলায়। একই ভেন্যুতে ১ ও ৩ নভেম্বর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচটি খেলবে দুই দল। শেষ দুটি ওয়ানডে হবে ৬ ও ৯ নভেম্বর কাটুনায়াকেতে।

সদ্য সমাপ্ত যুব এশিয়া কাপে সেমিফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ। মাত্র ২ রানের জন্য ভারতকে টপকে ফাইনাল খেলতে পারেনি তৌহিদ হোসেন হৃদয়ের দল। ২ রানের আক্ষেপ নিয়ে শিরোপা মিশন শেষ করলেও বাংলাদেশ পুরো টুর্নামেন্টে ভালো করেছে।

সেই একই পারফরম্যান্স ধরে রাখার প্রত্যয় তার,‘এশিয়া কাপে যে ভুলগুলো করেছি সেগুলো যেন এ সফরে না করি সেদিকে লক্ষ্য থাকবে। আমাদের এখন একটাই চিন্তা যে ম্যাচগুলো আছে সেগুলোতে ম্যাচ বাই ম্যাচ প্রমাণ করতে হবে। আমাদের সবার মধ্যে যে পোটেনশিয়াল আছে তার শতভাগ দিলে আমরা যে কোন দলকে হারাতে পারবো।’

যুব দলকে নতুন করে সাজাচ্ছে বিসিবি। দলটির প্রথম অ্যাসাইনমেন্টই ছিল এশিয়া কাপ। প্রত্যাশিত ফল পাওয়ায় যুবাদের থেকে ভালো ফলের প্রত্যাশা করছে সংশ্লিষ্টরা। দলের অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয়ও নবীন দলটিকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত,‘আমাদের প্রতিটি প্লেয়ার এবার প্রথম এশিয়া কাপ খেলেছে। একটু হলেও এখন অভিজ্ঞ হয়েছে। এখন আমাদের বিশ্বাস জন্মেছে যে আগামিতে আমরা প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচেই ভাল করবো। একটু আত্মবিশ্বাসী আছে। আশা করছি ভাল কিছু হবে।’

এশিয়া কাপে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি তৌহিদ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৩৫ রান করা বাদে বড় কোনো রান নেই তার। এবার লঙ্কা সফরে ব্যাট-বল হাতে জ্বলে উঠতে চান ১৭ বছর বয়সি তৌহিদ।

‘আমি এশিয়া কাপে খুব একটা পারফর্ম করতে পারিনি। আমার ফোকাস এখন নিজের সেরাটা দেওয়ার ও পারফর্ম করার। একজন সিনিয়র প্লেয়ার হিসেবে টিম আমার কাছ থেকে অনেক কিছুই আশা করে। আমি আমার সেরাটা দিতে চেষ্টা করবো।’ –বলেছেন বাংলাদেশ যুব দলের অধিনায়ক।

Monday, October 15, 2018

10/15/2018 04:24:00 PM

নারীদের প্রথম টি-২০ র‌্যাংকিং-এ নবমস্থানে বাংলাদেশ


ক্রীড়া রিপোর্ট : নারী ক্রিকেটে ওয়ানডে র‌্যাংকিং থাকলেও ছিলনা টি-২০ ভার্সনে। অবশেষে নারী টি-২০ র‌্যাংকিং প্রথা চালু করলো ক্রিকেটের প্রধান সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। প্রথমবারের মতো প্রকাশিত এই র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। ১৯৩ রেটিং নিয়ে নবমস্থানে রয়েছে সালমা-রুমানারা। ওয়ানডেতে ৪৯ রেটিং নিয়ে একই অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।

চলতি বছরের জুন থেকে সদস্য দেশগুলোর টি-২০ ম্যাচগুলো আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাচ্ছে। তাই এই ফরম্যাটের র‌্যাংকিং প্রকাশ করলো আইসিসি। ৪৬টি দেশকে র‌্যাংকিং-এ অর্ন্তুভুক্ত করেছে আইসিসি।

২৮০ রেটিং নিয়ে র‌্যাংকিং-এর শীর্ষে আছে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ও তৃতীয়স্থানে রয়েছে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। চতুর্থ থেকে অস্টম পর্যন্ত আছে- ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা।

আইসিসি নারী টি-২০ র‌্যাংকিং শীর্ষ দশ দেশ :

১. অস্ট্রেলিয়া
২. নিউজিল্যান্ড
৩. ইংল্যান্ড
৪. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
৫. ভারত
৬. দক্ষিণ আফ্রিকা
৭. পাকিস্তান
৮. শ্রীলংকা
৯. বাংলাদেশ
১০. আয়ারল্যান্ড

Post Top Ad

Responsive Ads Here

আজকের ভোরের ডাক পড়ুন এখানে