Channel Atv

সময়ের সাথে এগিয়ে চলে সাহসের সাথে কথা বলে

আসুন নিজেকে বদলায়। প্রতিদিন একটি ভালো কাজ করি। সুন্দর জীবন ও সমাজ গড়ি। নতুন সকাল

Breaking

Sunday, October 21, 2018

জুটির রেকর্ড, ইমরুলের সেঞ্চুরি-সাইফউদ্দিনের হাফ সেঞ্চুরি

ক্রীড়া প্রতিবেদক, মিরপুর থেকে : সপ্তম উইকেটে রেকর্ড রানের জুটি গড়লেন ইমরুল কায়েস ও সাইফ উদ্দিন।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুরে দলীয় ১৩৯ রানে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন মিরাজ। খাদের কিনারে বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যান বলতে কেবল রয়েছেন সাইফউদ্দিন। দলে ফেরা সাইফউদ্দিনের থেকে বড় কোনো প্রত্যাশা ছিল না কারোরই। শেষ দিকে দলের প্রয়োজন মেটাবেন বলেই তাকে ফিরিয়ে আনা।

কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে ওপেনার ইমরুলকে সঙ্গ দিলেন সাইফউদ্দিন। গড়লেন রেকর্ড। সপ্তম উইকেটে ১২৭ রানের জুটি গড়েন এ দুই ব্যাটসম্যান। তাদের ব্যাটে বাংলাদেশ পায় ২৭১ রানের বড় পুঁজি। বাংলাদেশ জয়ের স্বপ্ন বুনছে তাদের ব্যাটে।

ওপেনার ইমরুল পেয়েছেন সেঞ্চুরির স্বাদ, হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন সাইফউদ্দিন। ইমরুল ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৪৪ রানে। আর সাইফউদ্দিন প্রথম হাফ সেঞ্চুরির ইনিংসটি সাজান ৫০ রানের।

তিন ভাগে ভাগ করতে হবে বাংলাদেশের ইনিংসকে। ৬৬ রান তুলতে বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট। লিটন দাশ শুরুতে সাজঘরে ফেরেন ৪ রানে। ইনিংসের শুরুতে জীবন পাওয়ার পরও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ লিটন। চাতারা বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে আউট হন ৪ রানে। অভিষিক্ত ফজলে মাহমুদ হতাশ করেন।

চাতারার লাফিয়ে উঠা বলে খোঁচা মারতে গিয়ে আউট হন শূন্য রানে। বাংলাদেশের ১৩তম ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেকে শূন্য রানে আউট হওয়ার অনাকাঙ্খিত রেকর্ড নিজের নামের পাশে যোগ করেন ফজলে রাব্বী। নির্ভরতার সবথেকে বড় নাম মুশফিক আজ জ্বলে উঠতে পারেননি। ২০ বলে ১৫ রান করে আউট হন মাভুতার বলে।

দ্রুত ৩ উইকেট হারানোর পর চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ পায় বাংলাদেশ। মিথুন ও ইমরুলের ব্যাটে দ্রুত রানের চাকা ঘুরতে থাকে। ২২ গজে জিম্বাবুয়ের স্পিনারদের বেশ দাপটের সঙ্গে মোকাবেলা করেন তারা। কিন্তু পেস বোলারদের ফিরিয়ে এনে ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ম্যাচে ফেরান মাসাকাদজা।

১৪ বলের ব্যবধানে বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট। ৩টি উইকেটই নেন জারভিস। শুরুটা মিথুনকে দিয়ে। জারভিসের বলে খোঁচা মেরে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দেন ৩৭ রানে। চার বল পর মাহমুদউল্লাহওকে সাজঘরের পথ দেখান জারভিস। টেলরের হাতে ক্যাচ দেন শূন্য রানে। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে রিভিউ নিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু সিদ্ধান্ত তার পক্ষে আসেনি। মিরাজও সাজঘরে ফেরেন জারভিসের বলে। মাত্র ২ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

সেখান থেকে ইমরুল ও সাইফউদ্দিনের নতুন লড়াই শুরু হয়। ১২৭র রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে এনে দেন লড়াকু পুঁজি। এর আগে সপ্তম উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান ছিল ১০১। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ডুনেডিনে ২০১০ সালে ১০১ রান করেন মুশফিক ও নাঈম। 

আজ ইমরুল ও সাইফ উদ্দিনের ব্যাটে রেকর্ড বুকে নতুন পাতা যোগ হয়েছে। ইমরুল ক্যারিয়ারের তৃতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি পেয়েছেন ১৩ ইনিংস পর। আর সাইফউদ্দিন হাফ সেঞ্চুরি পেলেন চতুর্থ ইনিংসে। যৌথভাবে ইমরুল ও মুশফিক রয়েছেন একই বিন্দুতে। ওয়ানডেতে দুজনের সর্বোচ্চ রান ১৪৪। তামিমের সর্বোচ্চ ১৫৪। ১৪০ বলে ১৩ চার ও ৬ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান ইমরুল। সাইফউদ্দি ৬৯ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৫০ রান।   

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here

আজকের ভোরের ডাক পড়ুন এখানে