Channel Atv

সময়ের সাথে এগিয়ে চলে সাহসের সাথে কথা বলে

আসুন নিজেকে বদলায়। প্রতিদিন একটি ভালো কাজ করি। সুন্দর জীবন ও সমাজ গড়ি। নতুন সকাল

Breaking

Showing posts with label জাতীয়. Show all posts
Showing posts with label জাতীয়. Show all posts

Monday, January 7, 2019

1/07/2019 12:11:00 AM

খুলনা বিভাগে ৪ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর টানা তৃতীয়বারের মতো মন্ত্রিসভা গঠন করছে আওয়ামী লীগ। ৬ জানুয়ারি বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এরই মধ্যে তাদের দফতরও বণ্টন করা হয়েছে। খুলনা বিভাগের ১০ জেলা থেকে এবারের মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাওয়া চারজন হলেন- খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের সহধর্মিণী বাগেরহাট -৩ আসনের সংসদ সদস্য বেগম হাবিবুন নাহার, যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য ও মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন।

মন্নুজান সুফিয়ান পেয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। তিনি ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। বেগম হাবিবুন নাহার পেয়েছেন বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব। এর আগেও তিনি একবার এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এছাড়া মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। এই চার সংসদ সদস্যের মন্ত্রী পরিষদে স্থান পাওয়া আনন্দের জোয়ারে ভাসছেন তাদের দলীয় নেতাকর্মীরা। খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনেই জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নে এই এলাকা থেকে একাধিক মন্ত্রী দাবি করেছিলেন খুলনার মানুষ।

Sunday, January 6, 2019

1/06/2019 09:09:00 PM

নতুন মন্ত্রী পরিষদে কে পেলেন কোন মন্ত্রণালয়

ঢাকা অফিস : নতুন মেয়াদে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, তাতে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্য ৪৭। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া পূর্ণ মন্ত্রী ২৪ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৯ জন ও উপমন্ত্রী তিনজন। রোববার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, আগামীকাল সোমবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শপথ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে টেলিফোন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে থাকছে- 
মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা, সশস্ত্র বাহিনী, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

অন্য ২৪ মন্ত্রী হলেন-
ওবায়দুল কাদের (সড়ক পরিবহন), ড. মো. আবদুর রাজ্জাক (কৃষি), আসাদুজ্জামান খান কামাল (স্বরাষ্ট্র), হাছান মাহমুদ (তথ্য), আনিসুল হক (আইন), আ হ ম মুস্তফা কামাল (অর্থ), তাজুল ইসলাম (স্থানীয় সরকার), দীপু মনি (শিক্ষা), এ কে মোমেন (পররাষ্ট্র), এম এ মান্নান (পরিকল্পনা), আ ক ম মোজাম্মেল হক (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (শিল্প), গোলাম দস্তগির গাজী (বস্ত্র ও পাট), জাহিদ মালেক (স্বাস্থ্য), সাধন চন্দ্র মজুমদার (খাদ্য), টিপু মুনশি (বাণিজ্য), নুরুজ্জামান আহমেদ (সমাজকল্যাণ), শ ম রেজাউল করিম (গৃহায়ন ও গণপূর্ত), শাহাবুদ্দিন (বন, পরিবেশ ও জলবায়ু),  বীর বাহাদুর (পার্বত্য চট্টগ্রাম), সাইফুজ্জামান চৌধুরী (ভূমি), নুরুল ইসলাম সুজন (রেলপথ), ইয়াফেস ওসমান (বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি), মোস্তাফা জব্বার (ডাক ও টেলিযোগাযোগ)।

১৯ জন প্রতিমন্ত্রী- কামাল আহমেদ মজুমদার (শিল্প), ইমরান আহমেদ (প্রবাসীকল্যাণ), জাহিদ আহসান রাসেল (যুব ও ক্রীড়া), নসরুল হামিদ (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি), আশরাফ আলী খান খসরু (মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ), মন্নুজান সুফিয়ান (শ্রম), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (নৌপরিবহন), জাকির হোসেন (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা), শাহরিয়ার আলম (পররাষ্ট্র), জুনায়েদ আহমেদ পলক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি), ফরহাদ হোসেন (জনপ্রশাসন), স্বপন ভট্টাচার্য (স্থানীয় সরকার), জাহিদ ফারুক (পানিসম্পদ), মো. মুরাদ হাসান (স্বাস্থ্য), শরীফ আহমেদ (সমাজকল্যাণ), কে এম খালিদ (সংস্কৃতি), এনামুর রহমান (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ), মাহবুব আলী (বিমান), শেখ মো. আবদুল্লাহ- টেকনোক্র্যাট (ধর্ম)।

তিন উপমন্ত্রী- হাবিবুন নাহার (পরিবেশ), এ কে এম এনামুল হক শামীম (পানিসম্পদ), মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (শিক্ষা)।
1/06/2019 09:01:00 PM

নতুন মন্ত্রী পরিষদ থেকে বাদ পড়লেন যারা

ঢাকা অফিস : নতুন মহাজোট সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা রোববারের টক অব দ্যা কান্ট্রি। নতুন বছরের নতুন এই মন্ত্রিসভা দেশবাসীর জন্য মহাজোট নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চমক। নতুন মন্ত্রিসভায় বাদ পড়েছেন বিগত সময়ে নানা কর্মকাণ্ডে আলোচিত ও সমালোচিত হেভিওয়েট মন্ত্রীরা। এই মন্ত্রিসভায় আওয়ামী লীগ ছাড়া মহাজোটের শরিক দলগুলোর কোন নেতাকে রাখা হয়নি। এতে ঠাঁই পেয়েছেন একঝাঁক নতুন মুখ। সোমবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। এরমধ্য দিয়ে শুরু হবে মহাজোট সরকারের নতুন যাত্রা।

হেভিওয়েট মন্ত্রীদের মধ্যে বাদ পড়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তার জায়গায় এসেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকারী আহম মুস্তফা কামাল। অবশ্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল ‍মুহিত আগেই বলেছেন, তিনি অবসর নিতে চান। এবার সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থীও হননি।

নতুন মন্ত্রিসভায় বাদ পড়েছেন নানা কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচিত সমালোচিত নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আরো বাদ পড়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম, সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী মুহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, পরিবেশমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, মৎসমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বিমানমন্ত্রী এ. কে. এম শাহজাহান কামাল ও ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে বাদ পড়েছেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক (চুন্নু), বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাবিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী।

নতুন মন্ত্রিসভায় বাদ পড়েছেন দুই উপমন্ত্রীও। এরা হলেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আরিফ খান জয়। আরিফ খান জয় নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি।

Wednesday, December 19, 2018

12/19/2018 01:08:00 AM

আ. লীগের ইশতেহার: গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা দেওয়া হবে

ঢাকা অফিস : আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের ইশতেহার এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব। ইতিপূর্বে আমরা যে ইশতেহার ঘোষণা করেছিলাম তা বাস্তবায়ন করেছি। নির্বাচনে জয়ী হলে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য শূন্যের কোটায় নেমে আসবে। ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ হিসেবে গড়ে তুলব গ্রামকে। মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে নির্বাচনী ইশতেহারে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রতিটি গ্রামকে আধুনিক নগর সুবিধা দিয়ে ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ হিসেবে গড়ে তুলবে আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে তারুণ্যকে উৎপাদনমুখী শক্তিতে রূপান্তর করে সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ২১টি বিশেষ অঙ্গীকার করা হয়েছে। এসব অঙ্গীকারের মধ্যে দুটি বিষয়ের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’, যেখানে প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, ‘তারুণ্যের শক্তি-বাংলাদেশের সমৃদ্ধি’।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রতিটি গ্রামকে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। আমরা নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে প্রতিটি গ্রামকে শহরে উন্নীত করার কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করব।’

ইশতেহারে করা অঙ্গীকারগুলো হলো-
১. আমার গ্রাম, আমার শহর-প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণ
২. তারুণ্যের শক্তি-বাংলাদেশের সমৃদ্ধি: তরুণ যুব সমাজকে দক্ষ জনশক্তিকে রূপান্তরিত করা এবং কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা।
৩. দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ
৪. নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা ও শিশুকল্যাণ
৫. পুষ্টিসম্মত ও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা,
৬. সন্ত্রাস-সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূল
৭. মেগা প্রজেক্টগুলোর দ্রুত ও মানসম্মত বাস্তবায়ন
৮. গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করা
৯. দারিদ্র্য নির্মূল
১০ সকল স্তরে শিক্ষার মান বৃদ্ধি
১১. সকলের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবার নিশ্চয়তা
১২. সার্বিক উন্নয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তির অধিকতর ব্যবহার
১৩. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা
১৪. আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা-লক্ষ্য যান্ত্রিকিকরণ
১৫. দক্ষ ও সেবামুখী জনপ্রশাসন
১৬. জনবান্ধব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা
১৭ ব্লু ইকোনোমি-সমুদ্র সম্পদ উন্নয়ন
১৮. নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তা
১৯. প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও অটিজম কল্যাণ
২০. টেকসই উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ
২১. সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

Thursday, November 29, 2018

11/29/2018 12:36:00 AM

পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না ইইউ

ঢাকা অফিস : যথেষ্ট সময় ও প্রস্তুতি না থাকায় বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউর রাষ্টদূত রেনজি টেরিংক।
তিনি বলেন, পর্যবেক্ষকের মতো বড় মিশন পাঠানোর জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতির জন্য কমপক্ষে ছয় মাসের মতো সময় প্রয়োজন। তাই ইইউয়ের সদস্য দেশগুলো পর্যবেক্ষক না পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আমরা শুধু ছোট আকারে একটি এক্সপার্ট টিম পাঠাব।

তিনি আরো বলেন, এ নির্বাচন একটি বড় ‌চ্যালেঞ্জ। কারণ, এখানে ১০ কোটির বেশি ভোটার, ৪০ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। সেগুলোকে ম্যানেজ করাটা বড় চ্যালেঞ্জ। এ নির্বাচন যাতে সুষ্ঠ ও ভালো প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয় তার জন্য আমাদের শুভকামনা থাকবে।

রেনজি টেরিংক বলেন, ইইউর একটি ছোট দল বাংলাদেশে ৪০ দিনের মতো থাকবে। বাংলাদেশে থাকাকালে তারা নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। সেই সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে তাদের কিছু সুপারিশ দেওয়ার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, ইইউ চেষ্টা করেছে একটি নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ দল প্রেরণের। যার মাধ্যমে ইইউ বাংলাদেশের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে। ইইউর নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ দলের সফরের উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে ইইউর রাষ্টদূত বলেন, তাদের সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাংলাদেশের নির্বাচন বিষয়ে ইইউর আগ্রহ রয়েছে, তা প্রকাশ করা। ইইউ বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচনের দিকে চোখ রাখছে।

বৈঠকে ইইউর ইলেকশন এক্সপার্ট মিশনের প্রধান ডেভিড ওয়ার্ড, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজি টেরিংকসহ চার সদস্যের প্রতিনিধিদল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা, কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

Monday, November 26, 2018

11/26/2018 09:32:00 PM

‘রক্তপাত নয়, সুষ্ঠু নির্বাচন চাই’

ঢাকা অফিস : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, আমরা চাই একটা সুষ্ঠু নির্বাচন। আমরা চাই না, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো সংঘাত হোক এবং সেখানে কোনো রকম রক্তপাত হোক অথবা প্রাণহানি হোক। সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের তিন দিনব্যাপী  ব্রিফিংয়ের শেষ দিনের কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে সিইসি এ কথা বলেন। তিন দিনে তিন ব্যাচে ৬৯১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্রিফিং করে কমিশন।

সোমবার ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ‘এই ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে আপনাদের অবস্থান আমরা জানলাম। আমাদের অবস্থানও আপনারা জানলেন। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, অবাধ একটা নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে আমাদের। অবাধ মানে ভোটার ভোটকেন্দ্রে যাবে, পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়িতে যাবে এবং বাড়িতে গিয়ে নিরাপদে বসবাস করবে। আর চারদিকের পরিবেশ নিরাপদ রাখার দায়িত্বে আপনারা থাকবেন।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। সেদিনটা আপনাদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনেক সময় আপনাদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। অনেক সময় আপনাদেরকে নানা কারণে উস্কানিমূলক পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। এমন অবস্থায় আপনাদের বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতার মাধ্যমে বুঝতে হবে, আসলে অবস্থা কী।’

তিনি আরো বলেন, ‘কোন ঘটনা সত্য বা মিথ্যা তা আপনাদের বুঝতে হবে। কেন্দ্র প্রিজাইডিং অফিসার, আপনাদের সহকর্মী যারা থাকবেন তাদের সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ থাকতে হবে। যাতে তাৎক্ষণিকভাবে সেই এলাকার অবস্থা জানতে পারেন।

এদেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আপনাদের কাজ। যারা দেশের শাসনভার গ্রহণ করবেন। যারা মহান জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। যারা মন্ত্রী, স্পিকার হবেন, দেশ পরিচালনা করবেন। নির্বাচনে যারা অংশগ্রহণ করবেন তারা প্রত্যেকে সম্মানীত ব্যক্তি। আমি জানি, তারা আপনাদের কখনো বিভ্রান্তকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলবেন না। তাদের ওপর আস্থা রাখবেন এবং তাদের কথা শুনতে হবে।’

সিইসি বলেন, ‘কখনো ধৈর্য্যচ্যুত হলে চলবে না। কোনো বিভ্রান্তকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়লে সহনশীল থাকতে হবে এবং বুঝে, জেনে, শুনে অ্যাকশনে যেতে হবে। চরম অ্যাকশন যেটা বলা হয়, সেটাকে যতদূর পারেন আপনারা নিজেদের বিবেচনায় নিয়ন্ত্রণ করবেন। তাহলে পরিবেশ পরিস্থিত শান্ত হবে।

আমরা চাই, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। সেখানে কোনো রকম রক্তপাত হোক অথবা প্রাণহানি হোক তা চাই না। এইগুলোকে সামলানোর জন্য এসব বিষয় দেখভাল করা আপনাদের দায়িত্ব। নির্বাচনের দিন, নির্বাচনের পূর্বে এবং পরে এই সময় আপনাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে থাকতে হবে।’

সিইসি আরো বলেন, ‘আচরণবিধি ভালোভাবে রপ্ত করবেন। আচরণবিধি প্রয়োগ করতে গিয়ে এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে একটা নিয়ন্ত্রণহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আপনাদের কাজ করতে হবে। যাতে কখনো নির্বাচনের পরিবেশ পরিস্থিতি ব্যাহত হয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘এবার নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে। আমরা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। নিরপেক্ষ থাকতে হবে । কখনো নিজেদের আইনকানুনের অবস্থান থেকে চ্যুত হবেন না এবং সব থেকে বড় কথা হলো আপনাদের ধৈর্য্য সহকারে সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। কাউকে বিরক্ত করে বা বিরাগভাজন হয়ে নয়।’
11/26/2018 09:28:00 PM

চূড়ান্ত হলো ইভিএমের ৬ আসন

ঢাকা অফিস : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ছয়টিতে পূর্ণাঙ্গভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় নির্বাচন ভবনে দৈবচয়নের মাধ্যমে এই ছয়টি আসন চূড়ান্ত করে ইসি।

আসনগুলো হলো ঢাকা-১৩, ঢাকা-৬, চট্টগ্রাম-৯, রংপুর-৩, খুলনা-২, সাতক্ষীরা-২।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ছয়টি সংসদীয় আসনে সম্পূর্ণভাবে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হবে। সিটি করপোরেশন ও জেলা সদর সংশ্লিষ্ট ৪৮ আসনের মধ্য থেকে দৈবচয়নের মাধ্যমে এই ছয় আসন নির্ধারণ করা হয়।

সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে দৈবচয়ন অনুষ্ঠিত হয়।

Thursday, November 8, 2018

11/08/2018 10:27:00 PM

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর

ঢাকা অফিস : একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত। বাছাই হবে ২২ নভেম্বর এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা এই তফসিল ঘোষণা করেন। তিনি সব দলকে এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে নির্বাচনের সময় ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারে সব প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাবে। সবার জন্য অভিন্ন আচরণ ও সমান সুযোগ তৈরির জন্য নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে। এসব নিয়ে শিগগরিই পরিপত্র জারি করা হবে।
সিইসি বলেন, ভোটার, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, প্রার্থী, প্রার্থীর সমর্থক এবং এজেন্টরা যেন বিনা কারণে হয়রানির শিকার না হন বা মামলা-মোকদ্দমার মুখে না পড়েন, তার নিশ্চয়তা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর কঠোর নির্দেশ থাকবে। দলমত নির্বিশেষে সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদে সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোট শেষে নিজ নিজ বাসস্থানে নিরাপদে অবস্থান করতে পারবেন।
ভাষণে সিইসি সর্বস্তরের জনগণকে নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রতিটি দলকে একে অন্যের প্রতি সহনশীল ও রাজনীতিসুলভ আচরণের অনুরোধ করেন তিনি।
সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেন কখনও প্রতিহিংসা বা সহিংসতায় পরিণত না হয়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে অনুরোধ জানাই।’
সিইসি একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের যাবতীয় প্রস্তুতি তুলে ধরেন। ভাষণে সব নাগরিককে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে জনগণের হয়ে সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেশের গণতন্ত্রের ধারা এবং উন্নয়নের গতিকে সচল রাখার আহ্বানও জানান তিনি।
ভাষণে সিইসি জানান, ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং প্রায় ৪০ হাজার ভোট কেন্দ্রের বাছাই কাজ শেষ হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় সাত লাখ কর্মকর্তা নিয়োগের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকায় নির্বাহী এবং বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী থেকে ছয় লাখের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হবে। তাদের মধ্যে থাকবে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে নূরুল হুদা বলেন, ‘তাদের দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও একাগ্রতার ওপর বিশেষ দৃষ্টি রাখা হবে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্ত হলে দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামরিক প্রশাসনকে যথা-প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে।’
সুষ্ঠু নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন কীভাবে কাজ করবে, সেটার ব্যাখ্যা করে সিইসি বলেন, পোলিং এজেন্টরা ফলাফলের তালিকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। নির্বাচনি কর্মকর্তারা নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে অটল থাকবেন। নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করবেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভোট কেন্দ্র, ভোটার, প্রার্থী, নির্বাচনি কর্মকর্তা ও এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। গণমাধ্যমকর্মী বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ করবেন, পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা মেনে দায়িত্ব পালন করবেন এবং ইসি সবিচালয় সামগ্রিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও তত্তাবধানের আওতায় রাখবে।’ এর আগে বেলা ১১টায় বৈঠক করে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সিইসির কক্ষে এ বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সিইসির কক্ষে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণ রেকর্ড করা হয়। এজন্য সকাল থেকে বিটিভি, বেতারের রেকর্ডিং টিম ইসিতে অবস্থান নেয়।
সংবিধান অনুযায়ী আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে হিসেবে গত ৩১ অক্টোবর থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষণ-গণনা শুরু হয়।
প্রসঙ্গত, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি।

11/08/2018 10:07:00 PM

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৩ ডিসেম্বর

ঢাকা অফিস :  একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত। বাছাই হবে ২২ নভেম্বর এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৯ নভেম্বর। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা এই তফসিল ঘোষণা করেন। তিনি সব দলকে এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে নির্বাচনের সময় ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারে সব প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাবে। সবার জন্য অভিন্ন আচরণ ও সমান সুযোগ তৈরির জন্য নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা হবে। এসব নিয়ে শিগগরিই পরিপত্র জারি করা হবে।
সিইসি বলেন, ভোটার, রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, প্রার্থী, প্রার্থীর সমর্থক এবং এজেন্টরা যেন বিনা কারণে হয়রানির শিকার না হন বা মামলা-মোকদ্দমার মুখে না পড়েন, তার নিশ্চয়তা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর কঠোর নির্দেশ থাকবে। দলমত নির্বিশেষে সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদে সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোট শেষে নিজ নিজ বাসস্থানে নিরাপদে অবস্থান করতে পারবেন।
ভাষণে সিইসি সর্বস্তরের জনগণকে নির্বাচনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রতিটি দলকে একে অন্যের প্রতি সহনশীল ও রাজনীতিসুলভ আচরণের অনুরোধ করেন তিনি।
সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেন কখনও প্রতিহিংসা বা সহিংসতায় পরিণত না হয়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে অনুরোধ জানাই।’
সিইসি একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের যাবতীয় প্রস্তুতি তুলে ধরেন। ভাষণে সব নাগরিককে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে জনগণের হয়ে সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে দেশের গণতন্ত্রের ধারা এবং উন্নয়নের গতিকে সচল রাখার আহ্বানও জানান তিনি।
ভাষণে সিইসি জানান, ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং প্রায় ৪০ হাজার ভোট কেন্দ্রের বাছাই কাজ শেষ হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় সাত লাখ কর্মকর্তা নিয়োগের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকায় নির্বাহী এবং বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী থেকে ছয় লাখের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হবে। তাদের মধ্যে থাকবে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে নূরুল হুদা বলেন, ‘তাদের দক্ষতা, নিরপেক্ষতা ও একাগ্রতার ওপর বিশেষ দৃষ্টি রাখা হবে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্ত হলে দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অসামরিক প্রশাসনকে যথা-প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকবে।’
সুষ্ঠু নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন কীভাবে কাজ করবে, সেটার ব্যাখ্যা করে সিইসি বলেন, পোলিং এজেন্টরা ফলাফলের তালিকা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করবেন। নির্বাচনি কর্মকর্তারা নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে অটল থাকবেন। নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করবেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভোট কেন্দ্র, ভোটার, প্রার্থী, নির্বাচনি কর্মকর্তা ও এজেন্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। গণমাধ্যমকর্মী বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ করবেন, পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা মেনে দায়িত্ব পালন করবেন এবং ইসি সবিচালয় সামগ্রিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও তত্তাবধানের আওতায় রাখবে।’
এর আগে বেলা ১১টায় বৈঠক করে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সিইসির কক্ষে এ বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সিইসির কক্ষে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণ রেকর্ড করা হয়। এজন্য সকাল থেকে বিটিভি, বেতারের রেকর্ডিং টিম ইসিতে অবস্থান নেয়।
সংবিধান অনুযায়ী আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে হিসেবে গত ৩১ অক্টোবর থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষণ-গণনা শুরু হয়।
প্রসঙ্গত, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি।
x

Wednesday, November 7, 2018

11/07/2018 09:55:00 PM

ঐক্যফ্রন্টের দাবি প্রত্যাখ্যান আওয়ামী লীগের

ঢাকা অফিস : নির্বাচন পিছিয়ে সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার আদলে নির্বাচন আয়োজনের দাবি করেছে ঐক্যফ্রন্ট। তবে দাবিটিকে অসংবিধানিক অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
বুধবার গণভবনে প্রায় ৩ ঘণ্টা বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে এ কথা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ১০ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচনকালীন উপদেষ্টা পরিষদের প্রস্তাব দিয়েছে। এটা সংবিধানসম্মত না। আমরা সংবিধানের বাইরে যাব না। আমাদের নেত্রীও তাদের এটা পরিষ্কার বলে দিয়েছেন।’
‘এটা নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার একটা বাহানা। এই পিছিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে ফাঁক ফোকর হয়ত খুলে দেওয়া হচ্ছে। যেখান দিয়ে তৃতীয় কোনো অপশক্তি এসে ওয়ান ইলেভেনের মত সেই অনভিপ্রেত অস্বাভাবিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে, আমরা সবাই মনে করছি।’
এর আগে বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। বৈঠক শেষ করে জোটটির কোনো নেতা মন্তব্য করেননি। রাজধানীর মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনের বাসায় সংবাদ সম্মেলন করবেন তারা।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফার বেশিরভাগই মেনে নিতে আমাদের দলনেতা শেখ হাসিনা সম্মত হয়েছেন। আমরা মনে করি, সংলাপে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। বাকিটা ওনারা (ঐক্যফ্রন্ট) বলতে পারবেন।’
‘ভবিষ্যতে আর আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। ডায়ালগ শেষ, আলোচনা চলবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপ নিয়ে আমাদের অবস্থান জানিয়ে দিবেন’, বলেন ওবায়দুল কাদের।
অন্যান্য দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের বেশিরভাগ দাবিই মেনে নিতে আমাদের আপত্তি নেই। সত্যিকারের রাজবন্দিদের মুক্তির বিষয়ে আইনমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের বিষয়ে আমরা সম্মত। আমাদের মন্ত্রীরা বাড়তি কোনো সরকারি সুবিধা-সুবিধা নেবেন না। তাদের কোনো ক্ষমতা থাকবে না। অন্যদের মতোই সুবিধা ভোগ করবেন।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নিয়ে তারা যে কথা বলেছেন, সেটা পৃথিবীর কোনো গণতান্ত্রিক দেশেই নেই। তবে আমরা বলেছি, সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন থাকবে।’
সংলাপ শেষে বেরিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘সংবিধান পরিপন্থি ও সাংঘর্ষিক কিছু বক্তব্য তারা নিয়ে এসেছে, যেটা গ্রহণযোগ্য না। সংলাপ এখানে শেষ। শিডিউল ঘোষণার পর তারা যদি কোনো ব্যাপারে আবার বসতে চান, আপত্তি নেই।’
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘দুই পক্ষই নিজেদের দাবিতে অনড়। কোনো ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি। ঐক্যফ্রন্ট আবারও সংলাপের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’
এর আগে গণভবনে বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে বসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১১ নেতা।
সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দেন ড. কামাল হোসেন। দ্বিতীয় দফায় এ সংলাপ চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত।
এদিন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ চার দফা দাবি উত্থাপন করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তাদের অন্য দাবিগুলো হলো-সংসদ ভেঙে দেওয়া, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন এবং ১০ সদস্যের নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার।
সংলাপে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১১ জন এবং ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের ১১ জন অংশ নেন। ১৪ দলের প্রতিনিধিদলে আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ সেলিম, মতিয়া চৌধুরী, ওবায়দুল কাদের, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, স ম রেজাউল করিম, হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন সংলাপে অংশ নেন।
ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, গণফোরামের মহাসচিব মোস্তফা মহসিন মন্টু, গণফোরামের কার্যকরি সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা এস এম আকরাম, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার কেন্দ্রীয় নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর অংশ নেন।
প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, গত ১ নভেম্বর ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ২০ সদস্যদের একটি প্রতিনিধিদল আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংলাপ করে।

Tuesday, November 6, 2018

11/06/2018 04:17:00 PM

চার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীর পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা অফিস : মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সরকারের চারজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ ৬ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রীপরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত দেন তিনি। বৈঠক সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যারা নির্বাচিত সংসদ সদস্য নন এবং সরকারের বিশেষ বিবেচনায় মন্ত্রীপরিষদে স্থান পেয়েছিলেন তারাই হলেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। বর্তমান সরকারের টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হচ্ছেন- ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

আজ মন্ত্রীপরিষদের বৈঠকের পরই তারা সবাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে যাবে তাদের পদত্যাগপত্র। সেখান থেকে আবার যাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদনের পর তার কার্যালয় থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগপত্র যাবে রাষ্ট্রপতির কাছে বঙ্গভবনে। পরে মন্ত্রীপরিষদ থেকে এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

Sunday, November 4, 2018

11/04/2018 08:10:00 PM

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ৮ নভেম্বর

ঢাকা অফিস : আগামী ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরী।রোববার রাতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

শাহাদাত হোসেন চৌধুরী আরো বলেন, ৮ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের জন্য কতদিন সময় থাকবে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্ট্যান্ডার্ড টাইম মেইনটেইন করা হবে। নরমালি যে সময় দেওয়া হয়, সে রকম ৪৫ দিনের কাছাকাছি সময় দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা ও ইভিএম বিধিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

Friday, November 2, 2018

11/02/2018 07:14:00 PM

নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ইসিতে ছুটি বাতিল

ঢাকা অফিস : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী সকল কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সকল কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ইসির সহকারি সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইসি সচিবালয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে এবং সাংগঠনিক কাঠামো বহির্ভূত নির্বাচন কমিশনের অধীনস্ত আইডিয়া প্রকল্প এবং হিসাব রক্ষণ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারি, প্রকল্প ও সরকারি পরিবহণ পুলের গাড়িচালক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত স্টাফকে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন এবং অফিস সময়ের পর অফিসে উপস্থিত থেকে নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের জন্য অনুরোধ করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হলো এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

11/02/2018 12:49:00 AM

সংবিধানের বাইরে যাবে না আ’লীগ : সংলাপ শেষে কাদের # ৭ দফার আন্দোলন চলবে: রব # সন্তুষ্ট নই: মির্জা ফখরুল

http://combostruct.com/3w4j

http://combostruct.com/3wWPঢাকা অফিস : ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ শেষে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তাদের যেভাবে যুক্তি দিয়েছেন তাতে মনে হয়েছে উনাদের অনেকেই কনভিন্স। ঐক্যফ্রন্ট চাইলে আবারও আলোচনা হবে। তবে আমরা সংবিধানের বাইরে যেতে পারবো না- এটাও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি। বৃহস্পতিবার (০১ নভেম্বর) রাত ১১টার দিকে সংলাপ শেষে গণভবন থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আলোচনার দুয়ার সব সময় খোলা থাকবে। তারা চাইলে আলোচনা আবারও হবে। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) এও বলেছেন- সরকার নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পর সব দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সুতরাং নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা ঐক্যফ্রন্টকে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সন্ধ্যা ৭টার পর শুরু হওয়া গণভবনের ব্যাঙ্কুয়েট হলে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংলাপ চলে। এর মাঝেই নৈশভোজে অংশ নেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর থেকে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা একে একে গণভবনে প্রবেশ করেন। সংলাপে যোগ দেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও।
মোট ১০টি গাড়িতে করে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসা থেকে শান্তিনগর হয়ে গণভবনের উদ্দেশে রওনা হন। প্রথমেই ছিল ড. কামালের গাড়ি, এরপর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য নেতাদের গাড়ি।
সংলাপের জন্য ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ১৬ জনের নামের তালিকা পাঠানো হয় আওয়ামী লীগকে। এর মধ্যে বিএনপির পাঁচ প্রতিনিধি হলেন— মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ও মির্জা আব্বাস।
তাদের সঙ্গে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও এস এম আকরাম; গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু ও প্রেসিডিয়াম সদস্য সুব্রত চৌধুরী; জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন ও সহসভাপতি তানিয়া রব; ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মনসুর ও আ ব ম মোস্তফা আমিন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
সংলাপের আড়াই ঘণ্টা আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে শেষ মুহূর্তে যোগ করা হয় আরও পাঁচজনের নাম।
নতুন যোগ হওয়া পাঁচ জনের মধ্যে দু’জন বিএনপির ও তিন জন গণফোরামের। বিএনপির দুই নেতা হলেন- স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
অন্যদিকে, গণফোরামের তিন জন হলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোকাব্বির খান, অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ও ম শফিকুল্লাহ। তবে সংলাপে উপস্থিত হননি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই সংলাপে ১৪ দলীয় জোট থেকে ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল যোগ দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া অন্যরা হলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, মো. আবদুর রাজ্জাক, কাজী জাফর উল্যাহ, আবদুল মতিন খসরু, রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও জাসদের একাংশের সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল।
গত ২৮ অক্টোবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সংলাপের জন্য চিঠি দিলে পরদিন ২৯ অক্টোবর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, তারা সংলাপে বসতে রাজি। ৩০ অক্টোবর সকালে সংলাপের দিনক্ষণ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিঠি নিয়ে দলের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ যান ড. কামালের বাসায়।
এদিকে সংলাপ শেষে সাত দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন-কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব। একই কথা বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও।
১ নভেম্বর রাত ১১টা ৫০ মিনিটে ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসভবনে সংলাপ শেষে গণমাধ্যমের সামনে মুখোমুখি হয়ে তারা একথা বলেন।
অন্যদিকে সংলাপে আলোচনা ভালো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের তিনি এই মন্তব্য করেন।
সংলাপে আলোচনায় সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (০১ নভেম্বর) রাতে সংলাপ শেষে গণভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা জানান।
সংলাপ শেষে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাননি। এ সময় সংলাপে কি আলোচনা হলো হলো—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সন্তুষ্ট নই।’ তবে আর কোনো কথা বলেননি তিনি।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর থেকে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা একে একে গণভবনে প্রবেশ করেন। সংলাপে যোগ দেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও।
মোট ১০টি গাড়িতে করে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসা থেকে শান্তিনগর হয়ে গণভবনের উদ্দেশে রওনা হন। প্রথমেই ছিল ড. কামালের গাড়ি, এরপর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য নেতাদের গাড়ি।
সংলাপের জন্য ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ১৬ জনের নামের তালিকা পাঠানো হয় আওয়ামী লীগকে। এর মধ্যে বিএনপির পাঁচ প্রতিনিধি হলেন— মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ও মির্জা আব্বাস। 

Thursday, November 1, 2018

11/01/2018 11:08:00 PM

১০ বছরের উন্নয়ন মুল্যায়ন করে দেখতে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

ঢাকা অফিস : বহুল আলোচিত সংলাপের শুরুতে বর্তমান সরকারের প্রায় ১০ বছরের শাসনকালের মূল্যায়ন করে দেখতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘আমি এটার বিচারের ভার আপনাদের ওপরই ছেড়ে দিলাম। ৯ বছর ১০ মাস হতে চলল আমরা সরকারে, এই সময়ের মধ্যে দেশের কতটুকু উন্নয়ন করতে পেরেছি, সেটা নিশ্চয় আপনারা বিবেচনা করে দেখবেন। তবে এটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ভালো আছে, তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে।’
বৃহস্পতিবার রাতে গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে সংলাপে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
সংলাপের জন্য নির্ধারিত সময় সন্ধ্যা ৭টার আগেই ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদল গণভবনের ব্যাংকোয়েট হলে আসেন।
প্রধানমন্ত্রী ৬টা ৫৭ মিনিটে গণভবনের ব্যাংকোয়েট হলে প্রবেশ করেন। আসন গ্রহণ করার পর তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশে সালাম দেন। তিনি বলেন, ‘গণভবন জনগণের ভবন, এখানে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে যে অনুষ্ঠানে আপনারা এসেছেন, আমি এটুকু বলতে পারি যে, বাংলাদেশের জন্য আজকে আমরা আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করে যাচ্ছি এবং দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রেখেছি। এই দেশটা আমাদের সকলের। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং দেশের সার্বিক উন্নয়ন করা এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। দিন বদলের যে সূচনা আমরা করেছিলাম, দিন বদল হচ্ছে, এটাকে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে হবে। কারণ, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই স্বাধীনতা।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের মহান নেতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আজকে সে স্বাধীনতার সুফল যেন প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছাতে পারি সেটাই একমাত্র লক্ষ্য। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি।’
প্রধানমন্ত্রী এ সময় মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং সম্ভ্রম হারানো ২ লাখ মা-বোন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপে ১৪ দলীয় জোটের ২৩ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। অপরদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।
১৪ দলীয় জোটের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা হচ্ছেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফরউল্লাহ, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু, জেএসডির একাংশের নেতা মইনুদ্দিন খান বাদল, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক ও রমেশ চন্দ্র সেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক এস এম রেজাউল করিম।
ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধিদলে বিএনপির পাঁচজন নেতা রয়েছেন। তারা হলেন- মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার ও মির্জা আব্বাস।
প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু এবং সুলতান মো. মনসুর প্রমুখ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নে সংলাপের জন্য ঐক্যফ্রন্টকে ক্ষমতাসীন জোটের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আজ সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম মুখ্য ব্যক্তিত্ব গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন গত ২৮ অক্টোবর সংলাপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠালে এ বিষয়টি সামনে চলে আসে।

11/01/2018 04:36:00 PM

সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা


নিজস্ব প্রতিবেদক : সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫মিনিটে তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন। সুন্দরবনের সর্বশেষ ছয়টি বনদস্যু বাহিনীর ৫৪ সদস্যের আত্মসমর্পণ উপলক্ষে বাগেরহাটের শেখ হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ এবং র‌্যাব, পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বনদস্যুরা এখন আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছে। তারা অস্বাভাবিক জীবন থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছে। তাদের জীবন-জীবিকার বিষয়টি এখন সরকার দেখছে। ইতিপূর্বে আত্মসমর্পণকৃত বনদস্যুদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তারা যে কাজ করতে আগ্রহী তাদেরকে সেসব কাজে সহায়তার মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। র‌্যাব, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনও তাদের স্বাভাবিক জীবন-যাপনে সার্বিক সহায়তা করবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বনদস্যুদের কারণে উপকূলীয় এলাকায় জেলেরা আতঙ্কে ছিল। মাছ ধরতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়তো। কিন্তু এখন তারা নিরাপদ জীবনে ফিরে এসেছে।’ এজন্য তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং র‌্যাব ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। 

উল্লেখ্য, এর আগে বিভিন্ন সময় ২৬টি দস্যু বাহিনীর ২৭৪ জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণের সময় তারা ৪০৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ জমা দেন। 

Tuesday, October 30, 2018

10/30/2018 11:06:00 PM

‘দেশকে এগিয়ে নিতে, আরেকটি বার সুযোগ দিন’

ঢাকা অফিস : আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীর কাছে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আবার আসিব ফিরে, এই সংসদে। তিনি বলেন আপনারা আরেকটিবার নৌকায় ভোট দিন, আরেকটি বার দেশ সেবার সুযোগ দিন- ইনশাল্লাহ এই বাংলাদেশ আর পিছিয়ে থাকবে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে অদম্য গতিতে, এই অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের সমাপনী বক্তব্যে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

সমাপনী অধিবেশনে সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিল। সমাপনী অধিবেশনে বিরোধী দলের নেতাও বক্তব্যে রাখেন। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী কবি সুকান্তের কবিতাটি উদ্বৃতি দিয়ে বলেন, সুকান্তের ভাষায় বলব-

‘চলে যাব— তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ

প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,

এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি—

নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গিকার।’

এরপর তিনি কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতা উদ্ধৃত করে বলেন, আবার আসিব ফিরে এই সংসদে।

এর আগে তিনি বলেন, দেশের অদম্য অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে। সারা দেশে যে উন্নয়নের ছোঁয়া বাংলাদেশ পেয়েছে, তাতে আমি বিশ্বাস করি- বাংলাদেশের মানুষ নিশ্চয় আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে। জনগণের কাছে আমার আবেদন, আমরা যে মেগা প্রজেক্ট (প্রকল্প) গ্রহণ করেছি, তা সমাপ্ত করার জন্য আমাদের আরো কিছু সময় প্রয়োজন। আর সেই সুযোগটি দিতে পারে একমাত্র দেশের জনগণ। আমি বিশ্বাস করি, দেশের মানুষ নিশ্চয়ই সেই সুযোগ আমাদের করে দেবেন। বাংলাদেশের মানুষ সেই সুযোগটি যদি দেয়, ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত করার  যে কাজে আমরা হাত দিয়েছি, সেটা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে পারব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি কোনো যুদ্ধ-বিগ্রহ না হয়, এটাই হচ্ছে সংসদের শেষ অধিবেশন।

বিরোধী দলের দাবীর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে প্রাণচাঞ্চল্য ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় সেজন্য ব্যাংক, বিমা, বেসরকারি টেলিভিশনসহ সবকিছু বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিয়েছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। আমাদের তরুণ প্রজন্ম তাদের ভবিষ্যত কী হবে, জীবনমান কেমন হবে? কেমন বাংলাদেশ রেখে যেতে চাই, সেটাই একমাত্র চিন্তা। টানা ১০ বছরে আমাদের শাসনমালে তরুণ প্রজন্মের সুন্দর জীবন দিতে প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়েছি। আজকে আমরা নিজস্ব বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১৫ কোটি সিম ব্যবহার হচ্ছে। এতো সিম ব্যবহার পৃথিবীর কোন দেশে নেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে, আমরা তাদের মর্যাদা রক্ষা করেছি। ২০২১ সালের মধ্যে সুনির্দিষ্ট টার্গেট করেছি শুধুমাত্র আইসিটি খাত থেকেই ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করব। ইন্টারনেট ব্যবহারে বিশ্বব্যাংকের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে এখন দ্বিতীয়। ৬ লাখেরও বেশি দেশের তরুণ-তরুণী দেশে ঘরে বসেই আউটসোর্সিয়ের মাধ্যমে বিদেশ থেকে অর্থ উপার্জন করছে। মোবাইল ব্যাংকিংও যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মোবাইল ব্যাংকে প্রতিদিন এক হাজার কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে, এটাই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ। কোরবানির গরুও এখন অনলাইনে বিক্রি হয়। সাড়ে সাত হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ল্যাব গড়ে তুলেছি। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আইটি খাতে বিরাজ সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে আমাদের তরুণ প্রজন্মের জন্য। ২০২১ সাল নাগাদ ১ হাজার ১৮৭টি ই-সেবা চালু করা হবে। সাইবার ঝুঁকি থেকে দেশকে রক্ষায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস করেছি। যারা শুধু ক্রাইম করবে তাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার হবে, অন্যদের চিন্তা করার কোনো কারণ নেই।

Saturday, October 27, 2018

10/27/2018 10:07:00 PM

‘নৌকায় ভোট দিলে মানুষের জীবনমানের উন্নতি হয়’

বরিশাল অফিস : একশত বছর উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  শনিবার বিকেলে বরগুনার তালতলীতে জনসভায় বক্তব্যকালে এ আহ্বান জানান তিনি।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেশ ব্যর্থ হয়নি। যখনই মানুষ নৌকায় ভোট দেয়,  তখন মানুষের জীবনমানের উন্নতি হয়। নৌকায় ভোট দিলে দেশ ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত হয়। সৃষ্টি হয় কর্মসংস্থানের। 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবাষির্কী আর ২০২১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী পালন করব আমরা। এই এক বছর মুজিববর্ষে আমরা দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত করব। ৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ হবে। আর ২১০০ সালে বাংলাদেশ কেমন হবে তার পরিকল্পনা আমাদের আছে।’’ 

বক্তব্যের শুরুতে নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে সেবা করার সুযোগ দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, নৌকা মানেই উন্নয়ন। নৌকায় ভোট দেওয়ার কারণেই আজ গোটা দেশে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণাঞ্চল আর অন্ধকারে থাকবে না। এ অঞ্চলে শুধু ঘরে ঘরে নয়, ব্যবসা ও শিল্প কারখানায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। পায়রায় ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এটিকে আরো ৩০ হাজার মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনে উন্নতি করার প্রক্রিয়া রয়েছে। সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যে কোনো একটি দ্বীপে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ সরকার হাতে নিয়েছে। তাই দক্ষিণাঞ্চলে আর বিদ্যুতের সমস্যা থাকবে না।

জনসভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ, শিল্পমন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান, সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র নার্থ সম্ভু, মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, তালুকদার মো. ইউনুস, জেবুন্নেছা আফরোজসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা। এর আগে বরগুনার তালতলীর ২১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার দুপুর দেড়টায় তিনি পটুয়াখালীর পায়রায় নির্মাণাধীন ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পরে উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের লোন্দাগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য তৈরি ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ নামে পুনর্বাসন পল্লীর উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী ওই ২১ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর ও ফলক উম্মোচন করেন। সেখানে সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Thursday, October 25, 2018

10/25/2018 03:03:00 PM

‘ডিসেম্বরের মধ্যেই সংসদ নির্বাচন করতে চায় ইসি’

ঢাকা অফিস  : নির্বাচন কমিশন (ইসি)  ডিসেম্বরের মধ্যেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চায় বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আমাদের টার্গেট- ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন করতে চাই। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, আরপিও সংশোধনের জন্য আমরা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছিলাম। আমরা সর্বশেষ যে সংবাদ পেয়েছি- ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ে সেটি ভেটিং করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে, যাতে এটি পূর্ণাঙ্গ একটি আইনে রূপ লাভ করতে পারে।

ইসি সচিব বলেন, আশা করছি, এই সংসদে এটা পাস হতে পারে। পাস না হলে সংসদের অবর্তমানে যে বিষয়টি (অধ্যাদেশ) থাকে সেটি কার্যকর হবে। আমাদের যে মূল আইন (আরপিও) আছে সেটাও আধ্যাদেশের মাধ্যমে। অধ্যাদেশের মাধ্যমে এটি করা যেতে পারে। পরবর্তী সংসদের প্রথম অধিবেশনে এটা আইনে পরিণত হতে পারে। তবে আমরা এখনো আশা করছি, এটি চলতি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। যেহেতু সংসদ ২৯ তারিখ পর্যন্ত চলবে, সেখানেই এটি পাস হওয়ার সম্ভবনা আছে।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রপতি আমাদের সাক্ষাতের জন্য ১ তারিখ সময় দিয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। এর পরে কমিশন বৈঠকে বসবে। পরবর্তীতে তফসিল এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। একজন কমিশনার দেশের বাইরে আছেন। উনি দেশে ফিরলে সবাই বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।

জাতির উদ্দেশে ভাষণের মধ্য দিয়েই তফসিল ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি। 

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিষয়ে তিনি বলেন, ইভিএমে খুব সহজেই ভোট প্রদান করা যায়। স্মার্ট কার্ড না থাকলেও এনআইডি কার্ডের নাম্বার দেওয়ার পর আঙ্গুলের ছাপ দিলেই ভোট দেওয়া যাবে।

ইভিএমে ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ভোট দিতে পারেন, এর ফলে অপব্যবহারের সুযোগ আছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোটার সুনির্দিষ্ট হলে সেই ভোটারের আঙ্গুলের ছাপ মেশিনে গ্রহণ করলে অ্যাসিস্ট করার জন্য একটি অপশন আছে। অন্ধ ব্যক্তি ভোট দিতে আসলে তিনি নিজে ভোট দিতে পারেন না, তার ভোট প্রদানে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তার অ্যাসিস্ট করার একটি বিধান আছে। সেখানে কোনো অপব্যহার করার সুযোগ নেই। কারণ, সেখানে প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, পোলিং এজেন্ট সবাই থাকবেন।
10/25/2018 01:21:00 AM

‘১৬ কোটি মানুষের উন্নয়নে কাজ করাই আমার আনন্দ ও প্রশান্তি’

ঢাকা অফিস : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সমৃদ্ধ ও উন্নত সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় দুঃখী ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য পূরণে নিরলসভাবে কাজ করতে আমি বেশি আনন্দ ও শান্তি পাই।

তিনি আরো বলেন, টেকসই সামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণে ১৬ কোটি মানুষের উন্নয়নে কাজ করাই আমার আনন্দ ও প্রশান্তি।

বুধবার জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলির প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিকভাবে যারা জোট করেছে তাদেরকে আমি স্বাগত জানাই। কারণ, আমি মনে করি, সকলেরই রাজনীতি করার অধিকার আছে। আজকে যারা রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন দল, জোট করে নির্বাচনে আসবেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, এতে গণতন্ত্রের ভিত্তিটা আরো মজবুত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি আরো বলেন, এখানে (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) যারা যুক্ত হয়েছেন, তাদের যে কথাবার্তা, যা কিছু এখন মানুষ জানতে পারছে বা শুনতে পারছে, তাদের কেউ কেউ মানুষকে সম্মান রেখেই কথা বলতে পারছে না। বিশেষ করে, একটা নারীবিদ্বেষী মনোভাব, মেয়েদের প্রতি অশালীন কথা বলা থেকে শুরু করে জোটের নেতাদের মুখে অনেক কিছুই শুনতে পাচ্ছি। তবে আমি আশা করি, তারা সংযত হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের জন্য কাজ করতে হলে যে সহনশীল হতে হয়, যে ত্যাগ দরকার সেই ত্যাগ বা সহনশীলতা তাদের মধ্যে নেই। আমি আশা করি, তারা যদি সত্যিই রাজনীতির জন্য জোট করে এগিয়ে যেতে চান, তাহলে অবশ্যই তাদের সেভাবে চলতে হবে। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, যেকোনোভাবেই হোক রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মোকাবিলা করতে আমি পিছপা হই না, রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করি- এটাই বাস্তবতা। তবে কেউ যদি জঙ্গী-সন্ত্রাস বা মাদক অথবা কেউ অশালীন উক্তি করে, মানুষ যদি বিচার চায়, সেই বিচার করাটাও রাষ্ট্রের কর্তব্য।

তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আমরা রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রেক্ষিত পরিকল্পনা রূপকল্প-২০৪১ প্রণয়ন করে জাতির সামনে উপস্থাপন করব। এ পরিকল্পনার লক্ষ্য হচ্ছে- ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়া। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাজেটের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে সাত গুণেরও বেশি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে সাড়ে ৯ গুণ। গত কয়েক বছরে অর্জিত অর্থনৈতিক সাফল্যের সুফল দেশের জনগণ পেয়েছে, যার ফলে দরিদ্র জনগণের সংখ্যা দ্রুত কমছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ছবিযুক্ত আইডি কার্ড করে দেওয়া হয়েছে। তারা যেন নির্ধারিত ক্যাম্পের মধ্যেই থাকে সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারা ক্যাম্পের বাইরে গিয়ে যাতে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে সেজন্য সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

Post Top Ad

Responsive Ads Here

আজকের ভোরের ডাক পড়ুন এখানে