Channel Atv

সময়ের সাথে এগিয়ে চলে সাহসের সাথে কথা বলে

আসুন নিজেকে বদলায়। প্রতিদিন একটি ভালো কাজ করি। সুন্দর জীবন ও সমাজ গড়ি। নতুন সকাল

Breaking

Tuesday, October 16, 2018

যে কারণে প্রতিদিন বাড়ছে পেটের মেদ!

ভুঁড়ি থাকা সুখী মানুষের লক্ষণ- এই প্রবাদটির বর্তমানে কোনো মূল্যই নেই। সবাই চায় সবসময় স্লিম থাকতে। তাই পেটে মেদ জমলে তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান। মেদ কমানোর জন্য উঠে পড়ে লেগে যান সবাই। কারণ পেটের মেদ শুধু দেখতেই খারাপ লাগে না, বরং এটি নানা রোগেরও জন্ম দেয়।

কিছু বাজে অভ্যাসের কারণেই কিন্তু পেটের মেদ বেড়ে যায়। তাই মেদ কমাতে আগে বাজে অভ্যাসগুলো ত্যাগ করুন। তাহলেই মেদ আপনাতেই কমে যাবে। এবার অর্থসূচকের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হলো সেই বাজে অভ্যাসগুলো-
এক. সফট ড্রিংকস পান করা
গরম থেকে রেহাই পেতে সবাই কম- বেশি সফট ড্রিংকস পান করে। আর ড্রিংকস পান করার এই বাজে অভ্যাসটি আপনার পেটে খুব দ্রুত মেদ জমায়। কারণ এতে রয়েছে কার্বন ডাই অক্সাইড ও প্রচুর চিনি যা পেটের মেদ জমতে সহায়তাকারী। তাই ড্রিংকস পানের অভ্যাস বদলে ফলের রস, ফল এবং লেবুর সরবত খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন।
দুই. একবারে অনেক কিছু খাওয়া
কেউ কেউ কাজের ব্যস্ততায় খাওয়ার সময় না পেয়ে একবারে দুপুরে খাবার খান। আবার কেউবা বিকেলে কিছু না খেয়ে ক্ষুধা পেটে রাতে একবারে খান। এই কাজটি পেটে মেদ জমতে সাহায্য করে। কোনো বেলা খাবার বাদ দিলে পেটের ক্ষুধা পরবর্তী সময়ে অনেক বেশি খেতে বাধ্য করে। আর বেশি খাবার হজম হতেও সময় নেয় এবং ততক্ষণে পেটে মেদ জমা শুরু করে।
তিন. রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে পড়া
অনেকেই রাতে বেশ দেরি করে খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। এই বাজে অভ্যাসটিও পেটে মেদ জমানোর জন্য দায়ী। কারণ ভরা পেটে ঘুমিয়ে গেলে হজমের সমস্যা হয়। এতে করে পেটে মেদ জমে। তাই রাতে দেরি করে খাওয়া ঠিক নয়। আর যদি নিতান্তই দেরি হয় তবে খাওয়ার অন্তত ২/৩ ঘণ্টা পরে ঘুমাতে যান।
চার. রাগ, বিষণ্ণতা এবং দুঃখ পেলে খাওয়া
রেগে গেলে কিংবা বিষণ্ণতায় পড়লে অথবা কোন ব্যাপারে দুঃখ পেলে অনেকেই খাবার খান। মুড ঠিক করতে কিছুটা খাবার খাওয়া অবশ্যই খারাপ কিছু নয়। কিন্তু এ ধরণের মানসিকতায় বেশি খাওয়া খারাপ। কারণ এতেই পেটে মেদ জমে যায়। তাই রাগ, বিষণ্ণতা এবং দুঃখ পেলে খাওয়ার অভ্যাসটি ত্যাগ করাই ভালো।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Responsive Ads Here

আজকের ভোরের ডাক পড়ুন এখানে