Channel Atv

সময়ের সাথে এগিয়ে চলে সাহসের সাথে কথা বলে

আসুন নিজেকে বদলায়। প্রতিদিন একটি ভালো কাজ করি। সুন্দর জীবন ও সমাজ গড়ি। নতুন সকাল

Breaking

Showing posts with label অর্থনীতি. Show all posts
Showing posts with label অর্থনীতি. Show all posts

Saturday, October 27, 2018

10/27/2018 02:43:00 PM

মোংলা দিয়ে টালি রপ্তানি হচ্ছে সাত দেশে

মোংলা প্রতিনিধি : মোংলা সমুদ্রবন্দর দিয়ে সাত দেশে মাসে গড়ে ৫০ হাজার ডলার মূল্যের মাটির টালি রপ্তানি হচ্ছে। মুরারীকাটি ও শ্রীপতিপুরে মাটির কারিগররা তৈরি করছেন এসব বাহারি টালি। কুড়িটিরও বেশি টালি তৈরির কারখানা রয়েছে এখানে। টালি শিল্পের জন্য সাতক্ষীরার কলরোয়া উপজেলার মুরারীকাটি ও শ্রীপতিপুর স্বনামেই পরিচিতি পেয়েছে। কলরোয়ার এই এলাকাটির নাম হয়ে গেছে ‘ইতালি নগর’।

এই ‘ইতালি নগর’ বিদেশ থেকে নিয়ে আসছে ডলার ও ইউরো। এসব কারখানায় প্রতিদিন অন্তত ৫০০ লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০০৩ সালে এই মাটির টালি প্রথমে রপ্তানি হয় ইটালিতে। রুহুল আমীন নামের এক ব্যবসায়ী প্রথমে টালি রপ্তানি করেন। এরপর ধরে এখানে আরনো এক্সপোর্ট ইনপোর্ট, শুভ ট্রেড লিঃ, এফ এইচ খান লিঃ, মা কটেজ, নিকিতা ইন্টারন্যাশনাল, কটো ইনোভেটর, জে কে ইন্টারন্যাশনাল, পলো ইপো অরগানিক, ডি চন্দ্র পাল নামক প্রতিষ্ঠানগুলো বছরের পর বছর বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করছে।

এসব প্রতিষ্ঠান ইতালি, দুবাই, ফ্রান্স, ইউ কে, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডে তাদের টালি রপ্তানি করছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, খুলনা সূত্রে জানা যায়, এবছরের জুন মাসে ৩০ হাজার ১৫২ ডলার, জুলাই মাসে ৫৬ হাজার ৩৫৫ ডলার, আগস্ট মাসে ৬১ হাজার ৮৪২ ডলার, সেপ্টেম্বর মাসে ৫২ হাজার ৩৬৪ মার্কিন ডলার, একই মাসে ১৪ হাজার ৪৮৯ ইউরো মূল্যের টালি বিদেশে রপ্তানি হয়েছে।

জে কে ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) আরিফুল ইসলাম জানান, বিদেশিরা এখনকার টালি ঘরের মেঝে ও দেওয়ালে ব্যবহার করছে। দুবাইতে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি পিস টালি ২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রাক্তণ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনাও এখানের টালি কারখানা পরিদর্শন করেছিলেন। পরিদর্শনকালে তিনি পালপাড়ার বিভিন্ন ডিজাইনের টালি দেখে খুবই সন্তোষ প্রকাশ করেন।

কাররা এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট প্রাইভেট লিমিটেডের সত্ত্বাধিকারি রুহুল আমিন জানান, তিনি ইতালিতে টালি রপ্তানির জন্য ভালো মাটি খুঁজতে থাকেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। অবশেষে তার সেই কাঙ্খিত মাটির সন্ধান পান এই মুরারীকাটি এলাকাতেই। রুহুল আমিনই সর্ব প্রথম এ এলাকায় রপ্তানিযোগ্য টালি ব্যবসার পথ দেখান।

কলারোয়া উপজেলা টালি মালিক সমিতির সভাপতি ও ক্লে টাইলস ফ্যাক্টরির স্বত্বাধিকারি গোস্ট চন্দ্র পাল জানান, ১৯৪৭ সাল থেকে তারা টালি তৈরি করছেন। তাদের পূর্ব পুরুষরাও এ শিল্পের সাথে জড়িত ছিলেন।

তিনি জানান, গত বছর বছর বিদেশে টালি রপ্তানি করে এখানকার কারখানা মালিকরা আয় করেছেন প্রায় ১২ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, ‘ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দিন দিন আমাদের তৈরি করা টালির চাহিদা বাড়ছে। তবে টালি কারখানার সংখ্যা বেশি হয়ে যাওয়ায় স্টক থেকে যাচ্ছে বেশি। প্রতি বছর এখান থেকে ৩-৪শ কন্টেইনার টালি মোংলা দিয়ে ইতালি যায়। বছরে ৬ থেকে ৭ মাস টালি তৈরি ও বিক্রি হয়। সাধারণত বছরের অক্টোবর মাস থেকে শুরু হয় টালি তৈরি মৌসুম। চলে মে-জুন পর্যন্ত। বাকি সময় বর্ষাকাল থাকায় টালি তৈরি করা যায় না।’

একেকটি টালির একেক রকম নাম। রেক্ট্যাংগুলার, স্টেপ টাইলস, হেক্সা গোনার, স্কাটিং প্রভেন সালেহ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। প্রতি পিস টালির দাম ৫ টাকা থেকে ৭৫ টাকা পর্যন্ত। ৩০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য ২০ সেন্টিমিটার প্রস্থ ও ৩ সেন্টিমিটার পুরু একটি স্কয়ার টালির দাম ১০ টাকা। ৫০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য ২৫ সেন্টিমিটার প্রস্থ ও ৩ সেন্টিমিটার পুরু রেকট্যাংগুলার টালির দাম ৩৫ টাকা, বহুল প্রচলিত ৩০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য ১৫ সেন্টিমিটার প্রস্থ ও আড়াই সেন্টিমিটার পুরু একটি রেকট্যাংগুলার টালির দাম ৬ টাকা। আবার ৪০ সেন্টিমিটার প্রস্থ ও ৩ সেন্টিমিটার পুরু একটি স্কয়ার টালির দাম ৪০টাকা।

স্কয়ার টালি সাধারণত দেয়ালের শোভা বর্ধনে ঘরের চালের ছাউনিতে ব্যবহার করে থাকে বিদেশিরা। ঘরের মেঝে সাজানোর জন্য রয়েছে ফুলের আকারে প্রভেন সালেহ। প্রতি পিস প্রভেন সালেহর দাম ২৫ টাকা। এভাবে একেকটি টালির নকশা, গঠন ও আকার অনুযায়ী দামের হেরফের রয়েছে। ঘর সাজানোর জন্য সার্কেল টাইলস। ৪টি সার্কেল টাইলস নিয়ে একটি সেট।

Wednesday, October 17, 2018

10/17/2018 01:36:00 PM

বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় ১ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ২০১৮ সালের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচক বা গ্লোবাল কম্পিটিটিভ ইনডেক্সে (জিসিআই) এক ধাপ পেছাল বাংলাদেশ।

বিশ্বের ১৪০টি দেশের মধ্যে এবার বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩। যা গত বছর (২০১৭) ১৩৫ দেশের মধ্যে ১০২ তম অবস্থানে।

বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচক রিপোর্ট প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হয়।

সংবাদ সম্মেলনের সঞ্চালনা করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। উপস্থিত ছিলেন সিপিডির বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই রিপোর্টে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা বলে সক্ষমতার সূচক তুলে ধরা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের ছোট ছোট (এসএমই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতার বিষটিও বিবেচনায় নিতে হবে। তিনিটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সক্ষমতা বাড়ানোয় কাজ করতে হবে। এগুলো হলো- উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান উৎপাদিত পণ্যের বাজার এবং সেই বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরো জানান, গত বছর এ প্রতিযোগিতা ১৩৫ দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হলেও এবার হয়েছে ১৪০ টি দেশের মধ্যে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিশ্বের ১৩৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো ১০৬তম। তার আগের অর্থবছরে অবস্থান ছিল ১০৭তম।

প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, শ্রমবাজারের দক্ষতা, বাজারের আকার, ব্যবসায় উন্নতি ও উদ্ভাবন প্রভৃতি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচক তৈরি করা হয়।

তালিকায় সুইজারল্যান্ডকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান ফের দখলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সিঙ্গাপুর ও জার্মানি রয়েছে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে। আর ভারতের অবস্থান ৫৮তম। শীর্ষ ১০-এ থাকা অন্য দেশগুলো হলো যথাক্রমে- সুইজারল্যান্ড, জাপান, নেদারল্যান্ড, হংকং, যুক্তরাজ্য, সুইডেন ও ডেনমার্ক।

Monday, October 15, 2018

10/15/2018 05:05:00 PM

পুঁজিবাজারে বড় দরপতন

ঢাকা অফিস : একদিন উত্থানের পর সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৫ অক্টোবর) দেশের পুঁজিবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। দিনভর সূচক পতন শেষে এদিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক কমেছে ৬১ পয়েন্ট। অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমেছে ১৩৩ পয়েন্ট।

সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম ও লেনদেন।

ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক খাতের প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দাম কমায় এদিন বড় দরপতন হয়েছে। এর ফলে রোববার উভয় বাজারে সূচকের উত্থানের পর সোমবার দরপতন হলো।

ডিএসইর তথ্য মতে, সোমবার এ বাজারে ১১ কোটি ৬২ লাখ ৯৫ হাজার ৪৬৪টি শেয়ারের হাতবদল হয়েছে। এতে লেনদেন হয়েছে ৪৯৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিলো ৫৭৬ কোটি ৬২ লাখ ৪২ হাজার টাকা।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬১ দশমিক ৯৯ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩৮৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ইনডেক্স ১৪ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৪৮ পয়েন্টে। তবে ডিএস-৩০ ইনডেক্স ২৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৯৯ পয়েন্টে।

ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৫টির, কমেছে ২২৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের।

অপর বাজার সিএসইতে সার্বিক সূচক ১৩৩ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৪৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৭টির, কমেছে ১৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৪টি কোম্পানির শেয়ার।  এদিন লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২ কোটি ১৫ লাখ ১২ হাজার টাকা।

Sunday, October 14, 2018

10/14/2018 11:50:00 AM

বিনিয়োগকারীদের নজর কেড়েছে পোশাক খাতের শেয়ার


জুলাইয়ের তুলনায় আগস্ট মাসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন কমেছে ৭ হাজার ১৮১ কোটি ৬৮ লাখ ৭৭ হাজার ৩২২ টাকা। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বেশ কিছুদিন লেনদেন বন্ধ থাকা মাসে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে পোশাক খাতের শেয়ারের।
এরপর বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শেয়ার ছিলো প্রকৌশল ও ব্যাংক খাতের শেয়ার। ফলে এই দুই খাতের শেয়ার লেনদেনে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান দখল করেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পোশাক খাতে উৎসে কর কমায় বিনিয়োগকারীদের নজর ছিলো বস্ত্র খাতের শেয়ারের দিকে। ফলে এ খাতে লেনদেনও বেড়েছে।
২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে পোশাক খাতের ওপর দশমিক ৭ শতাংশ  হারে উৎসে কর দেওয়ার বিধান ছিলো। সেখান থেকে ১ শতাংশ কমিয়ে দশমিক ৬ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৫ শতাংশ করপোরেট কর থেকে কমিয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে।
ডিএসইর তথ্য মতে, আগস্ট মাসে ডিএসইতে ৩৩৯ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার ৩৬৭ টাকার মোট ১১ হাজার ৪৯৫ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার ৩৬৭ টাকা লেনদেন হয়েছে। এর আগের মাস জুলাইয়ে লেনদেন হয়েছিলো ১৮ হাজার ৬৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ৬৭ হাজার ৬৮৯ টাকা।
সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা লেনদেনের মধ্যে আগস্টে বস্ত্র খাতের ৮৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫০ হাজার ৪৪টি শেয়ারের মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৪২১ কোটি ১৪ হাজার ২৪৯ টাকা। যা মোট লেনদেনের ২১ দশমিক ০৬ শতাংশ। ফলে লেনদেনের শীর্ষ উঠে এসেছে এ খাতটি। এ খাতে এখন ৫০টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে।
এরপর ৩০ কোটি ২০ লাখ ৩৪ হাজার ৬২২টি শেয়ার থেকে মোট ১ হাজার ৯০২ কোটি ৭২ লাখ ৩১ হাজার ৬৮১ টাকার লেনদেন হওয়ায় দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে প্রকৌশল খাত। যা আগস্টের মোট লেনদেনের ১৬ দশমকি ৫৫ শতাংশ।
এরপর স্থান দখল করছে বাজারের ‘প্রাণ’ খ্যাত ব্যাংক খাত। আগস্ট মাসে এ খাতের ৮০ কোটি ৮০ লাখ ২১ হাজার ১৪৮টি শেয়ার কেনা-বেচার বাবদ লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫৮১ কোটি ৩৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩৫৮টাকা। যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমকি ৭৬ শতাংশ।
এরপর যথাক্রমে আর্থিক খাতে ৮৯৪ কোটি ৬৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭৯৮ টাকা এবং ওষুধ ও রসায়ন খাতে ৮৮০ কোটি ৩০ লাখ ২৯ হাজার ২৬০ টাকা লেনদেন হয়েছে। এছাড়াও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৮৬৬ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৩৯৫ টাকা লেনদেন হয়েছে। ফলে আগস্ট মাসে ৬ষ্ঠ স্থানে রয়েছে এ খাত।
অন্যদিকে আগস্ট মাসে বিবিধ খাতে ৫৬৪ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার ৩৯১ টাকা, বিমা খাতে ৩৮২ কোটি ৪৮ লাখ ৮২ হাজার ৯৫ টাকা, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ৪২৫ কোটি ২ লাখ ৩২ হাজার ১৭৮ টাকা, ট্যানারি খাতে ৩৪৩ কোটি ৮৩ লাখ ৩৮ হাজার ৯২৯ টাকা, আইটি খাতে ৩১৩ কোটি ৬৪ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮ টাকা, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে ১৩৩ কোটি ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৯ টাকা, সেবা খাতে ৭২ কোটি ৬০ লাখ ২৮ হাজার ৭৬৯ টাকা, সিমেন্ট খাতে ১২১ কোটি ৮৯ লাখ ৭৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, সিরামিক খাতে ১৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৫৩ হাজার ৪৮৫ টাকা, টেলিযোগাযোগ খাতে ১২৮ কোটি ১৮ লাখ ০৩ হাজার ৬২৩ টাকা, ট্রাভেলস খাতে ১৬৯ কোটি ২৮ লাখ ৪৭০ টাকা, পাট খাতে ৩৯ কোটি ২৫ লাখ ৬৮ হাজার ৩৪১ টাকা, মুদারাবা বন্ডে ৩ কোটি ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৭৯৮ টাকা এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৮৪ কোটি ১৫ লাখ ৯৩ হাজার ৬২১ টাকার শেয়ারের লেনদেন হয়েছে।



Post Top Ad

Responsive Ads Here

আজকের ভোরের ডাক পড়ুন এখানে